সূর্যমুখী চাষে সফলতার মুখ দেখছেন কৃষকরা
jugantor
সূর্যমুখী চাষে সফলতার মুখ দেখছেন কৃষকরা

  সানোয়ার হাসান সুনু, জগন্নাথপুর  

১৪ মার্চ ২০২১, ২২:১৯:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এবারই প্রথমবারের মতো বিস্তৃত পরিসরে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। জগন্নাথপুরে এবার ১৫০ একর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন বেশ কয়েকজন চাষী। তার মধ্যে জগন্নাথপুর সদর গ্রামের যুবক শামীম আহমদ একজন সফল কৃষক।

তিনি ও তার সহযোগী কৃষক ওয়াসিম মিয়া তারা দুজনে মিলে এবার পৌর এলাকার হাসিমাবাদ হাওরে ৮ কেদার অর্থাৎ ২৪০ শতক জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছেন।

তাদের এ বাগানটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত তরুণ, যুবকযুবতী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। এটা একটি কৃষি ট্যুরিজম বা পিকনিক স্পটে পরিণত হয়েছে। এটা দেখে কৃষকরা উৎসাহী হয়ে ওঠছেন।

চাষী শামীম আহমদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা সূর্যমুখী সম্পর্কে তেমন ধারণা পাইনি। তবে উপজেলা থেকে কৃষি কর্মকর্তারা এসে আমাদের সূর্যমুখী সম্পর্কে ধারণা দিলে এ চাষ শুরু করি। কিন্তু দর্শনার্থীদের ভিড়ে আমরা অতিষ্ঠ। ফুলগাছ দেখতে এসে ছবি তোলা, হুড়োহুড়ি করা, ফুল ছেঁড়া ও গাছ নষ্ট করার কারণে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, ২০২০-২১ সালে প্রণোদনার মাধ্যমে জগন্নাথপুর পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৫০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ শুরু করা হয়। গত বছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এ উপজেলায় সূর্যমুখী চাষ শুরু হয়। আমরা কৃষকদের সবধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। তাই এবার বিস্তৃত পরিসরে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। এবার ফলন ভালো হয়েছে। আগামী ২-৩ সপ্তহের মধ্যে ফসল কর্তন হবে। আশা করি কৃষকরা ভালো লাভবান হবেন।

সূর্যমুখী চাষে সফলতার মুখ দেখছেন কৃষকরা

 সানোয়ার হাসান সুনু, জগন্নাথপুর 
১৪ মার্চ ২০২১, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এবারই প্রথমবারের মতো বিস্তৃত পরিসরে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। জগন্নাথপুরে এবার ১৫০ একর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন বেশ কয়েকজন চাষী। তার মধ্যে জগন্নাথপুর সদর গ্রামের যুবক শামীম আহমদ একজন সফল কৃষক। 

তিনি ও তার সহযোগী কৃষক ওয়াসিম মিয়া তারা দুজনে মিলে এবার পৌর এলাকার হাসিমাবাদ হাওরে ৮ কেদার অর্থাৎ ২৪০ শতক জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছেন। 

তাদের এ বাগানটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত তরুণ, যুবকযুবতী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। এটা একটি কৃষি ট্যুরিজম বা পিকনিক স্পটে পরিণত হয়েছে। এটা দেখে কৃষকরা উৎসাহী হয়ে ওঠছেন।

চাষী শামীম আহমদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা সূর্যমুখী সম্পর্কে তেমন ধারণা পাইনি। তবে উপজেলা থেকে কৃষি কর্মকর্তারা এসে আমাদের সূর্যমুখী সম্পর্কে ধারণা দিলে এ চাষ শুরু করি। কিন্তু দর্শনার্থীদের ভিড়ে আমরা অতিষ্ঠ। ফুলগাছ দেখতে এসে ছবি তোলা, হুড়োহুড়ি করা, ফুল ছেঁড়া ও গাছ নষ্ট করার কারণে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, ২০২০-২১ সালে প্রণোদনার মাধ্যমে জগন্নাথপুর পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৫০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ শুরু করা হয়। গত বছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এ উপজেলায় সূর্যমুখী চাষ শুরু হয়। আমরা কৃষকদের সবধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। তাই এবার বিস্তৃত পরিসরে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। এবার ফলন ভালো হয়েছে। আগামী ২-৩ সপ্তহের মধ্যে ফসল কর্তন হবে। আশা করি কৃষকরা ভালো লাভবান হবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন