ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিরল প্রজাতির ৩ ঈগলের বাচ্চা বিক্রির চেষ্টা, অতঃপর...
jugantor
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিরল প্রজাতির ৩ ঈগলের বাচ্চা বিক্রির চেষ্টা, অতঃপর...

  ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

১৫ মার্চ ২০২১, ১৫:০৩:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিরল প্রজাতির ৩ ঈগলের বাচ্চা বিক্রির চেষ্টা, অতঃপর...

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে একটি বাসা থেকে ঈগল পাখির তিনটি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের বড়ালি গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ওই ঈগলের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্ট ‘বিরল প্রজাতির ঈগল পাখি বিক্রি হবে, এমন একটি স্ট্যাটাস চোখে পড়ে জেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা তাজুল ইসলামের। তিনি খোঁজ নিয়ে পাখিগুলোকে উদ্ধার করতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বন বিভাগকে নির্দেশ দেন।

বন বিভাগের কর্মী মাসুদ মিয়া এ খবর পেয়ে বড়ালি গ্রামের সেরাংবাড়িতে গিয়ে তিনটি পাখি উদ্ধার করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, ওই বাড়িতে একটি বড় গাছে ঈগল পাখির বাসা ছিল। কিন্তু গাছটি কেটে ফেললে আশিক নামের ওই যুবকের হাতে পাখিগুলো ধরা পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে— পাখিগুলো এক থেকে দেড় মাস বয়সী হবে। তারা উড়তে পারছে না। পাখি তিনটি বর্তমানে বন বিভাগ ফরিদগঞ্জে রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা বন বিভাগের কর্মী মাসুদ মিয়া বলেন, ঈগলের বাচ্চাগুলো ছাই রঙের পালকের মধ্যে সাদা হালকা ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে পাখিগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিভাগে গবেষণার জন্য দেওয়া হতে পারে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিরল প্রজাতির ৩ ঈগলের বাচ্চা বিক্রির চেষ্টা, অতঃপর...

 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
১৫ মার্চ ২০২১, ০৩:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিরল প্রজাতির ৩ ঈগলের বাচ্চা বিক্রির চেষ্টা, অতঃপর...
ছবি: যুগান্তর

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে একটি বাসা থেকে ঈগল পাখির তিনটি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের বড়ালি গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ওই ঈগলের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্ট ‘বিরল প্রজাতির ঈগল পাখি বিক্রি হবে, এমন একটি স্ট্যাটাস চোখে পড়ে জেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা তাজুল ইসলামের।  তিনি  খোঁজ নিয়ে পাখিগুলোকে উদ্ধার করতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বন বিভাগকে নির্দেশ দেন।

বন বিভাগের কর্মী মাসুদ মিয়া এ খবর পেয়ে বড়ালি গ্রামের সেরাংবাড়িতে গিয়ে তিনটি পাখি উদ্ধার করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, ওই বাড়িতে একটি বড় গাছে ঈগল পাখির বাসা ছিল। কিন্তু গাছটি কেটে ফেললে আশিক নামের ওই যুবকের হাতে পাখিগুলো ধরা পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে— পাখিগুলো এক থেকে দেড় মাস বয়সী হবে। তারা উড়তে পারছে না। পাখি তিনটি বর্তমানে বন বিভাগ ফরিদগঞ্জে রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা বন বিভাগের কর্মী মাসুদ মিয়া বলেন, ঈগলের বাচ্চাগুলো ছাই রঙের পালকের মধ্যে সাদা হালকা ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে পাখিগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিভাগে গবেষণার জন্য দেওয়া হতে পারে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন