অ্যাম্বুলেন্সে প্রেমিকার লাশ রেখে পালাল প্রেমিক
jugantor
অ্যাম্বুলেন্সে প্রেমিকার লাশ রেখে পালাল প্রেমিক

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৫ মার্চ ২০২১, ২২:৩৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার শহরের জইল্যার দোকান এলাকায় মৃত প্রেমিকার লাশ রেখে পালাল প্রেমিক। খবর পেয়ে বেলা ৩টার দিকে লাশটি উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।

নিহত তরুণীর নাম ফরিদা বেগম। তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি দক্ষিণ বাইশারী এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের মেয়ে।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মোহাম্মদ আলমগীর জানান, রোববার সকালে নোমান নামে একজন সদর হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে বাইশারী যাবে বলে উঠে। পরে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে সে পানির জন্য নেমে আর আসেনি। তারপর অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহতের মোবাইল থেকে স্বজনদের ফোন করে বিষয়টি জানান।

ফরিদার স্বজনরা জানান, আগের স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর বিদেশে পাড়ি জমান ফরিদা বেগম। সেখানে তিন বছর থাকার পর দেশে ফিরে পরিচয় হয় বাইশারী এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নোমানের সঙ্গে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর পরিবারের অজান্তে ১৩ মার্চ নোমানের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন ফরিদা। কিন্তু আজ সকালে অ্যাম্বুলেন্স চালকের মাধ্যমে ফরিদার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তারা।

ওই তরুণীর ভাবি রাফিজা আক্তার বলেন, নোমান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক করেছে। টাকা-পয়সাও নিয়েছে অনেক। বিদেশে থাকাকালীনও নোমানকে টাকা দিয়েছে ফরিদা। ফরিদার হাতে, পায়ে, আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ বর্মণ বলেন, সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো দাগ বা আঘাত দেখা যায়নি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে আমরা মামলা নেব।

অ্যাম্বুলেন্সে প্রেমিকার লাশ রেখে পালাল প্রেমিক

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৫ মার্চ ২০২১, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার শহরের জইল্যার দোকান এলাকায় মৃত প্রেমিকার লাশ রেখে পালাল প্রেমিক। খবর পেয়ে বেলা ৩টার দিকে লাশটি উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।

নিহত তরুণীর নাম ফরিদা বেগম। তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি দক্ষিণ বাইশারী এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের মেয়ে।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মোহাম্মদ আলমগীর জানান, রোববার সকালে নোমান নামে একজন সদর হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে বাইশারী যাবে বলে উঠে। পরে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে সে পানির জন্য নেমে আর আসেনি। তারপর অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহতের মোবাইল থেকে স্বজনদের ফোন করে বিষয়টি জানান।

ফরিদার স্বজনরা জানান, আগের স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর বিদেশে পাড়ি জমান ফরিদা বেগম। সেখানে তিন বছর থাকার পর দেশে ফিরে পরিচয় হয় বাইশারী এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নোমানের সঙ্গে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর পরিবারের অজান্তে ১৩ মার্চ নোমানের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন ফরিদা। কিন্তু আজ  সকালে অ্যাম্বুলেন্স চালকের মাধ্যমে ফরিদার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তারা।

ওই তরুণীর ভাবি রাফিজা আক্তার বলেন, নোমান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক করেছে। টাকা-পয়সাও নিয়েছে অনেক। বিদেশে থাকাকালীনও নোমানকে টাকা দিয়েছে ফরিদা। ফরিদার হাতে, পায়ে, আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ বর্মণ বলেন, সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো দাগ বা আঘাত দেখা যায়নি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে আমরা মামলা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন