পরিচয় গোপন করে হোটেলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ  
jugantor
পরিচয় গোপন করে হোটেলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ  

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

১৯ মার্চ ২০২১, ১৫:১৯:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার আব্দুর রহমান। ছবি-যুগান্তর

মাদারীপুরেবিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিবাহিত এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই সন্তানের বাবা আবদুর রহমানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ অভিযান চালিয়ে তার আরও তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, আড়াই বছর আগে সদর উপজেলার ঝাউদি গ্রামের আবেদ আলী আকনের ছেলে আবদুর রহমান নিজের পরিচয় গোপন করে মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে বৃহস্পতিবার সকালে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে মেয়েটিকে নিয়ে যায় আবদুর রহমান।

পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সন্ধ্যার দিকে ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে আবাসিক হোটেল থেকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে অভিযুক্ত।

বিষয়টি সন্দেহ হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।

এ ঘটনায় রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবদুর রহমানের তিন সহযোগী আকবর মুন্সী, মুরাদ সরদার ও আলাউদ্দিন কবিরাজকে আটক করেছে।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মনিরুজ্জামান পাভেল বলেন, প্রথমে ভুল তথ্য দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে ভিকটিমকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। মূলত পরিচয় গোপন রেখে আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্তসহ চারজন আটক। এ ব্যাপারে একটি মামলা হয়েছে।

পরিচয় গোপন করে হোটেলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ  

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
১৯ মার্চ ২০২১, ০৩:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গ্রেফতার আব্দুর রহমান। ছবি-যুগান্তর
গ্রেফতার আব্দুর রহমান। ছবি-যুগান্তর

মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিবাহিত এক যুবকের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই সন্তানের বাবা আবদুর রহমানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ অভিযান চালিয়ে তার আরও তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, আড়াই বছর আগে সদর উপজেলার ঝাউদি গ্রামের আবেদ আলী আকনের ছেলে আবদুর রহমান নিজের পরিচয় গোপন করে মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে বৃহস্পতিবার সকালে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে মেয়েটিকে নিয়ে যায় আবদুর রহমান। 

পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সন্ধ্যার দিকে ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে আবাসিক হোটেল থেকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে অভিযুক্ত। 

বিষয়টি সন্দেহ হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।
 
এ ঘটনায় রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবদুর রহমানের তিন সহযোগী আকবর মুন্সী, মুরাদ সরদার ও আলাউদ্দিন কবিরাজকে আটক করেছে।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মনিরুজ্জামান পাভেল বলেন, প্রথমে ভুল তথ্য দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে ভিকটিমকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। মূলত পরিচয় গোপন রেখে আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্তসহ চারজন আটক। এ ব্যাপারে একটি মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন