স্কুলছাত্রী অপহরণ, উদ্ধারের পর বাড়ি ফিরেই আত্মহত্যা
jugantor
স্কুলছাত্রী অপহরণ, উদ্ধারের পর বাড়ি ফিরেই আত্মহত্যা

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৯ মার্চ ২০২১, ২২:০৬:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জে অপহরণের শিকার মায়া আক্তার জয়া (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়। এরপর বাড়ি ফিরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকালে সদর থানা পুলিশ শহরের মাহমুদপুর মহল্লা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে। নিহত মায়া আক্তার জয়া ওই মহল্লার শরিফ শেখের মেয়ে।

স্বজনদের দাবি, স্থানীয় কয়েক বখাটে কিশোর তাকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করায় লজ্জায় আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে ওই স্কুলছাত্রী।

নিহত স্কুলছাত্রীর বাবা শরীফ শেখ ও চাচা ফরিদ শেখসহ স্বজনরা জানান, দুই বছর ধরে একই মহল্লার আব্দুল আজিজের বখাটে ছেলে জীম (১৬) জয়াকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়ে তার অভিভাবকদের কাছে বারবার অভিযোগও করা হয়।

কিন্তু তাতে কোনো সুফল আসেনি। এরই একপর্যায়ে বুধবার তার এক আত্মীয়ের ছেলের সাথে জয়ার বাগদান সম্পন্নের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বখাটে জীম পুলিশকে ফোন করে ডেকে এনে বাগদান প্রক্রিয়াও বন্ধ করে দেয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার বিকালে বাসার সামনে থেকে জীমসহ মাহমুদপুর মহল্লার মৃত শাহিনের ছেলে জীবন, ফনির ছেলে অন্তর, হানিফের ছেলে রুমন ও চর রায়পুর মহল্লার ছাত্তারের ছেলে কাইয়ুম জয়াকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়।

এরপর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জয়াকে তার বাড়িতে দিয়ে যায় ওই যুবকরা। এ ঘটনার পর বাসায় এসে জয়া রান্নাঘরে ঢুকে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেয় এবং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে স্বজনরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

সদর থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের বাবা শুক্রবার বিকালে একটি ইউডি মামলা দায়ের করেছেন।

স্কুলছাত্রী অপহরণ, উদ্ধারের পর বাড়ি ফিরেই আত্মহত্যা

 সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৯ মার্চ ২০২১, ১০:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জে অপহরণের শিকার মায়া আক্তার জয়া (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়। এরপর বাড়ি ফিরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

শুক্রবার বিকালে সদর থানা পুলিশ শহরের মাহমুদপুর মহল্লা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে। নিহত মায়া আক্তার জয়া ওই মহল্লার শরিফ শেখের মেয়ে। 

স্বজনদের দাবি, স্থানীয় কয়েক বখাটে কিশোর তাকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করায় লজ্জায় আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে ওই স্কুলছাত্রী।

নিহত স্কুলছাত্রীর বাবা শরীফ শেখ ও চাচা ফরিদ শেখসহ স্বজনরা জানান, দুই বছর ধরে একই মহল্লার আব্দুল আজিজের বখাটে ছেলে জীম (১৬) জয়াকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়ে তার অভিভাবকদের কাছে বারবার অভিযোগও করা হয়।

কিন্তু তাতে কোনো সুফল আসেনি। এরই একপর্যায়ে বুধবার তার এক আত্মীয়ের ছেলের সাথে জয়ার বাগদান সম্পন্নের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বখাটে জীম পুলিশকে ফোন করে ডেকে এনে বাগদান প্রক্রিয়াও বন্ধ করে দেয়। 

পরদিন বৃহস্পতিবার বিকালে বাসার সামনে থেকে জীমসহ মাহমুদপুর মহল্লার মৃত শাহিনের ছেলে জীবন, ফনির ছেলে অন্তর, হানিফের ছেলে রুমন ও চর রায়পুর মহল্লার ছাত্তারের ছেলে কাইয়ুম জয়াকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। 

এরপর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জয়াকে তার বাড়িতে দিয়ে যায় ওই যুবকরা। এ ঘটনার পর বাসায় এসে জয়া রান্নাঘরে ঢুকে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেয় এবং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে স্বজনরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

সদর থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের বাবা শুক্রবার বিকালে একটি ইউডি মামলা দায়ের করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন