অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করাই কাল হলো পলাশের
jugantor
অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করাই কাল হলো পলাশের

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

২১ মার্চ ২০২১, ২২:৪৮:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করার কারণে প্রাণ দিতে হলো পলাশকে। তবে লাশ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশের জিজ্ঞসাবাদে হত্যার আদ্যোপান্ত স্বীকার করে আনোয়ার হোসেন।

শনিবার দুপুরে পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের সমাজবাজার এলাকার খন্দবাড়িয়া গ্রামে একটি খালের পাশে মাটিতে পুঁতে রাখা পলাশ হোসেন নামে এক গাড়িচালকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত পলাশ হোসেন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাকাবাজার এলাকার কুরবান আলীর ছেলে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে পাবনা আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানায়, খন্দবাড়িয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন নামে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে পেশায় গাড়িচালক পলাশ হোসেনের। বিয়ের পর পলাশ হোসেন সমাজবাজার এলাকায় শ্বশুর মতলেব হোসেনের বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকতেন। এদিকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ায় আনোয়ার ঢাকায় গিয়ে দিনমজুরি করতে থাকেন এবং প্রতিশোধ নিতে পলাশকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

নিহত পলাশের স্বভাব চরিত্র ভালো ছিল না। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পলাশের বিশ্বস্ত এক বন্ধুর (নাম জানা যায়নি) সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন আনোয়ার। শুক্রবার রাতে আনোয়ার রেলবাজার এলাকা থেকে জনৈক এক যৌনকর্মীকে এক হাজার টাকায় ভাড়া করে পলাশকে ওই বন্ধুর মোবাইলের মাধ্যমে সমাজবাজারের লিচুবাগানে ডেকে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে খন্দবাড়িয়া এলাকায় লিচুবাগানে এসে ওই যৌনকর্মীর সঙ্গে পলাশ মেলামেশায় লিপ্ত হতে গেলে ওতপেতে থাকা আনোয়ারসহ বেশ কয়েকজন পলাশকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে এবং মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে (পলাশ) একটি খালের পাশে মাটিতে পুঁতে রেখে পালিয়ে যায়।

তবে পলাশকে বাঁচানোর জন্য ওই যৌনকর্মী আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে সমাজবাজারে পালিয়ে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দিলে ওই নারী যৌনকর্মীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর অভিযানে নেমে প্রযুক্তির সহায়তায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ারকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার ব্যাপারে চাটমোহর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালতে আনোয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করাই কাল হলো পলাশের

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
২১ মার্চ ২০২১, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করার কারণে প্রাণ দিতে হলো পলাশকে। তবে লাশ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশের জিজ্ঞসাবাদে হত্যার আদ্যোপান্ত স্বীকার করে আনোয়ার হোসেন।

শনিবার দুপুরে পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের সমাজবাজার এলাকার খন্দবাড়িয়া গ্রামে একটি খালের পাশে মাটিতে পুঁতে রাখা পলাশ হোসেন নামে এক গাড়িচালকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত পলাশ হোসেন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাকাবাজার এলাকার কুরবান আলীর ছেলে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে পাবনা আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানায়, খন্দবাড়িয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন নামে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে পেশায় গাড়িচালক পলাশ হোসেনের। বিয়ের পর পলাশ হোসেন সমাজবাজার এলাকায় শ্বশুর মতলেব হোসেনের বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকতেন। এদিকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ায় আনোয়ার ঢাকায় গিয়ে দিনমজুরি করতে থাকেন এবং প্রতিশোধ নিতে পলাশকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

নিহত পলাশের স্বভাব চরিত্র ভালো ছিল না। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পলাশের বিশ্বস্ত এক বন্ধুর (নাম জানা যায়নি) সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন আনোয়ার। শুক্রবার রাতে আনোয়ার রেলবাজার এলাকা থেকে জনৈক এক যৌনকর্মীকে এক হাজার টাকায় ভাড়া করে পলাশকে ওই বন্ধুর মোবাইলের মাধ্যমে সমাজবাজারের লিচুবাগানে ডেকে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে খন্দবাড়িয়া এলাকায় লিচুবাগানে এসে ওই যৌনকর্মীর সঙ্গে পলাশ মেলামেশায় লিপ্ত হতে গেলে ওতপেতে থাকা আনোয়ারসহ বেশ কয়েকজন পলাশকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে এবং মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে (পলাশ) একটি খালের পাশে মাটিতে পুঁতে রেখে পালিয়ে যায়।

তবে পলাশকে বাঁচানোর জন্য ওই যৌনকর্মী আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে সমাজবাজারে পালিয়ে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দিলে ওই নারী যৌনকর্মীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর অভিযানে নেমে প্রযুক্তির সহায়তায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ারকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার ব্যাপারে চাটমোহর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালতে আনোয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন