মাটি খননের সময় ৪ তলা ভবনে ফাটল
jugantor
মাটি খননের সময় ৪ তলা ভবনে ফাটল

  চাঁদপুর প্রতিনিধি  

২২ মার্চ ২০২১, ২১:২১:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী মাদ্রাসা রোডে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি খনন করার সময় পাশের চারতলা বিশিষ্ট ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। নাহার ভবনে এ ফাটল দেখা দেয়ায় ওই ভবনে বসবাসকারীরাসহ আশেপাশের মানুষের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে মুল সড়ক থেকে ভবন দেবে যাচ্ছে দেখে ওই ভবনে থাকা লোকজন দ্রুত বের হয়ে আসেন এবং মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেন। খবর পেয়ে চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে নূর মোহাম্মদ দর্জির ১০ শতাংশ জায়গার ওপর ভেকু মেশিন দিয়ে ১০ ফিট মাটি খনন করার কাজ চলছিল। হঠাৎ পাশেই ৪তলা বিশিষ্ট নাহার ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেয়।

নাহার ভবনের মালিক মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. আব্দুর রশিদ খানের ছেলে জসিম উদ্দিন জানায়, ভবন করার নামে দিনরাত ভেকুর কাজ চলছিল। আমরা বাসায় থাকা লোকজন প্রথমে মনে করেছি হয়ত ভূমিকম্প হয়েছে। পরে নিচে এসে ঘটনাটি বুঝতে পেরে দ্রুত বাড়ির সবাই বাইরে চলে আসি। রাতে সবাই বাড়ির বাইরে ছিলাম। সকালে সবাই পুনরায় আবার বাড়িত চলে আসি। দুপুর ১২ টায় ভয়াবহভাবে আবার ফাটল দেখা দেয়।

নির্মাণাধীন ওই বাড়ির মালিক নূর মোহাম্মদ দর্জি জানান, তার জায়গার ভেতরে নাহার ভবনের দুই ফুট ও নিচের ব্যাজের দুই ফুট জায়গা রয়েছে।

মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল জানান, গণপূর্ত ও পৌরসভার দুই ইঞ্জিনিয়ারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা উভয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাছাই করবে। সেখানে কোনো ত্রুটি থাকলে মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে। তাৎক্ষনিক ভেকুটি জব্দ করা হয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মাটি খননের সময় ৪ তলা ভবনে ফাটল

 চাঁদপুর প্রতিনিধি 
২২ মার্চ ২০২১, ০৯:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী মাদ্রাসা রোডে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি খনন করার সময় পাশের চারতলা বিশিষ্ট ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। নাহার ভবনে এ ফাটল দেখা দেয়ায় ওই ভবনে বসবাসকারীরাসহ আশেপাশের মানুষের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে মুল সড়ক থেকে ভবন দেবে যাচ্ছে দেখে ওই ভবনে থাকা লোকজন দ্রুত বের হয়ে আসেন এবং মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেন। খবর পেয়ে চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে নূর মোহাম্মদ দর্জির ১০ শতাংশ জায়গার ওপর ভেকু মেশিন দিয়ে ১০ ফিট মাটি খনন করার কাজ চলছিল। হঠাৎ পাশেই ৪তলা বিশিষ্ট নাহার ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেয়।

নাহার ভবনের মালিক মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. আব্দুর রশিদ খানের ছেলে জসিম উদ্দিন জানায়, ভবন করার নামে দিনরাত ভেকুর কাজ চলছিল। আমরা বাসায় থাকা লোকজন প্রথমে মনে করেছি হয়ত ভূমিকম্প হয়েছে। পরে নিচে এসে ঘটনাটি বুঝতে পেরে দ্রুত বাড়ির সবাই বাইরে চলে আসি। রাতে সবাই বাড়ির বাইরে ছিলাম। সকালে সবাই পুনরায় আবার বাড়িত চলে আসি। দুপুর ১২ টায় ভয়াবহভাবে আবার ফাটল দেখা দেয়।

নির্মাণাধীন ওই বাড়ির মালিক নূর মোহাম্মদ দর্জি জানান, তার জায়গার ভেতরে নাহার ভবনের দুই ফুট ও নিচের ব্যাজের দুই ফুট জায়গা রয়েছে।

মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল জানান, গণপূর্ত ও পৌরসভার দুই ইঞ্জিনিয়ারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা উভয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাছাই করবে। সেখানে কোনো ত্রুটি থাকলে মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে। তাৎক্ষনিক ভেকুটি জব্দ করা হয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন