ভুল স্থানে হাইওয়ে ফাঁড়ি, সেবাবঞ্চিত সাধারণ মানুষ
jugantor
ভুল স্থানে হাইওয়ে ফাঁড়ি, সেবাবঞ্চিত সাধারণ মানুষ

  পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

২৪ মার্চ ২০২১, ২০:৪৬:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পবা হাইওয়ে ফাঁড়ি নামে পুঠিয়ায় একটি ফাঁড়ি রয়েছে। খাতা-কলমে পবা হাইওয়ে ফাঁড়ি হলেও সব কার্যক্রম হচ্ছে পুঠিয়ার শিবপুর বাজার থেকে।

শুধু সঠিক স্থানে হাইওয়েটি স্থাপিত না হওয়ায় কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর পবা মহাসড়কের যে অংশটুকু রয়েছে তা বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেট্রোপলিটনের ভেতরে পড়েছে।

জানা গেছে, ২০০৫ সালে পবা হাইওয়ে ফাঁড়িটি স্থাপিত হয়। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের নাটোর জেলার বনবেলঘড়িয়া থেকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শেষ সীমারেখার পল্লাপুকুর পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়ক পবা হাইওয়ের ভেতরে ছিল।

বর্তমানে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কার্যক্রম পুঠিয়ার বেলপুকুর ইউনিয়নজুড়ে চালু হয়েছে। এতে পবা হাইওয়ের আরও তিন কিলোমিটার সড়ক কমে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পবা হাইওয়ে ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা বলেন, রাজশাহী সদর এলাকায় ২০০৫ সালে পবা হাইওয়ে ফাঁড়িটি স্থাপিত হওয়ার কথা ছিল। সেখানে পছন্দমতো জমি না পাওয়ায় তখন পবা এলাকায় সেটি স্থাপিত হয়নি। এরপর থেকে পবা নাম ব্যবহার করে হাইওয়ে ফাঁড়িটি দীর্ঘদিন ধরে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউপির পাশে কলেজের টিনশেড ভবনে ছিল। তারপর জায়গার স্বল্পতার দেখা দিলে বানেশ্বর থেকে ফাঁড়িটি শিবপুর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিত্যক্ত ভবনে আসে।

সাম্প্রতিক সময়ে পবা ফাঁড়িটি শিবপুর বাজারের কাছে নিজেস্ব নতুন ভবনে চলে এসছে। শুধু নাম ভুলের কারণে রাজশাহী সদরের পবা এলাকায় কোনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলে কাঙ্ক্ষিত সেবা নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষ ৯৯৯ ফোন দিলে তখন ৯৯৯ পবা হাইওয়েকে ফোন দিয়ে বলছে অমুক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

পবা এলাকার আবুল কাশেম নামে ব্যক্তি বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নাম ভুলের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখন পর্যন্ত নজরে পড়েনি।

বর্তমানে পুঠিয়া উপজেলার যে স্থানটিতে পবা হাইওয়েটি স্থাপিত হয়েছে সেখানকার বাজারের মানঞ্জুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, পুঠিয়া এলাকার ভেতর পবা হাইওয়েটির নাম থাকায় আমাদের উপজেলার মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমাদের দাবি- নতুন ভবন উদ্বোধন করার আগেই হাইওয়ে ফাঁড়িটির নাম পরিবর্তন করা হোক।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া রিজিয়ন মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, হাইওয়ে ফাঁড়ির জন্মলগ্ন থেকে পবা নামটি হয়ে আসছে। আমরা নাম পরিবর্তন করতে পারব না। করতে হলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের আইজির অনুমতি লাগবে। তারপর এলাকাবাসী চাইলে পরিবর্তন করতে পারবে।

ভুল স্থানে হাইওয়ে ফাঁড়ি, সেবাবঞ্চিত সাধারণ মানুষ

 পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
২৪ মার্চ ২০২১, ০৮:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পবা হাইওয়ে ফাঁড়ি নামে পুঠিয়ায় একটি ফাঁড়ি রয়েছে। খাতা-কলমে পবা হাইওয়ে ফাঁড়ি হলেও সব কার্যক্রম হচ্ছে পুঠিয়ার শিবপুর বাজার থেকে।

শুধু সঠিক স্থানে হাইওয়েটি স্থাপিত না হওয়ায় কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর পবা মহাসড়কের যে অংশটুকু রয়েছে তা বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেট্রোপলিটনের ভেতরে পড়েছে।

জানা গেছে, ২০০৫ সালে পবা হাইওয়ে ফাঁড়িটি স্থাপিত হয়। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের নাটোর জেলার বনবেলঘড়িয়া থেকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শেষ সীমারেখার পল্লাপুকুর পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়ক পবা হাইওয়ের ভেতরে ছিল।

বর্তমানে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কার্যক্রম পুঠিয়ার বেলপুকুর ইউনিয়নজুড়ে চালু হয়েছে। এতে পবা হাইওয়ের আরও তিন কিলোমিটার সড়ক কমে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পবা হাইওয়ে ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা বলেন, রাজশাহী সদর এলাকায় ২০০৫ সালে পবা হাইওয়ে ফাঁড়িটি স্থাপিত হওয়ার কথা ছিল। সেখানে পছন্দমতো জমি না পাওয়ায় তখন পবা এলাকায় সেটি স্থাপিত হয়নি। এরপর থেকে পবা নাম ব্যবহার করে হাইওয়ে ফাঁড়িটি দীর্ঘদিন ধরে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউপির পাশে কলেজের টিনশেড ভবনে ছিল। তারপর জায়গার স্বল্পতার দেখা দিলে বানেশ্বর থেকে ফাঁড়িটি শিবপুর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিত্যক্ত ভবনে আসে।

সাম্প্রতিক সময়ে পবা ফাঁড়িটি শিবপুর বাজারের কাছে নিজেস্ব নতুন ভবনে চলে এসছে। শুধু নাম ভুলের কারণে রাজশাহী সদরের পবা এলাকায় কোনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলে কাঙ্ক্ষিত সেবা নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষ ৯৯৯ ফোন দিলে তখন ৯৯৯ পবা হাইওয়েকে ফোন দিয়ে বলছে অমুক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

পবা এলাকার আবুল কাশেম নামে ব্যক্তি বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নাম ভুলের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখন পর্যন্ত নজরে পড়েনি।

বর্তমানে পুঠিয়া উপজেলার যে স্থানটিতে পবা হাইওয়েটি স্থাপিত হয়েছে সেখানকার বাজারের মানঞ্জুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, পুঠিয়া এলাকার ভেতর পবা হাইওয়েটির নাম থাকায় আমাদের উপজেলার মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমাদের দাবি- নতুন ভবন উদ্বোধন করার আগেই হাইওয়ে ফাঁড়িটির নাম পরিবর্তন করা হোক।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া রিজিয়ন মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, হাইওয়ে ফাঁড়ির জন্মলগ্ন থেকে পবা নামটি হয়ে আসছে। আমরা নাম পরিবর্তন করতে পারব না। করতে হলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের আইজির অনুমতি লাগবে। তারপর এলাকাবাসী চাইলে পরিবর্তন করতে পারবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন