ঝিরির পানিতে ভাসমান মরা হাতি
jugantor
ঝিরির পানিতে ভাসমান মরা হাতি

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৫ মার্চ ২০২১, ০১:৪৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ঈদগাঁওয়ের ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জের পুর্নগ্রাম বনবিটস্থ গামারি ঘোনা ঝিরি এলাকার পানিতে ভাসমান অবস্থায় একটি মৃত বন্যহাতি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন বনকর্মীরা।

এদিকে মৃত হাতিটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের পর হাতিটি কী কারণে মারা গেছে তা বের করতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।

ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন স্থানীয় চাষীদের বরাত দিয়ে জানান, ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জের পুর্নগ্রাম বনবিটের ভেতরে প্রতিদিন হাতির পাল বিচরণ করে। চলতে গিয়ে হয়তো কোনো কারণে নিচে পড়ে মারা গেছে হাতিটি।

তিনি আরও জানান, হাতির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ রয়েছে। মনে হচ্ছে, পড়ে যাওয়ার সময় গাছের গুঁড়ি ও মাটির আঘাত পেয়েছে। তবে, হাতিটি কয়েকদিন আগে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাতির দেহটি উদ্ধারের পর ভেটেরিনারি চিকিৎসক দিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

তিনি জানান, মারা যাওয়া হাতিটি মাদি (মেয়ে) হাতি। এটার বয়স আনুমানিক ৮-১০ বছর হতে পারে। এর দাঁতগুলো ছোট। শুঁড়ের কাছাকাছি অক্ষত রয়েছে।

ঈদগাঁও এলাকার দিনমজুর কামাল উদ্দিন জানান, এর আগেও একই এলাকায় গুলি করে বন্যহাতি মারার ঘটনা ঘটেছিল। সে কারণে এই হাতির মৃত্যুও স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. তহিদুল ইসলাম বলেন, মৃত হাতিটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত শেষে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। কী কারণে হাতিটি মারা গেল তা জানা গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

ঝিরির পানিতে ভাসমান মরা হাতি

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৫ মার্চ ২০২১, ০১:৪৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ঈদগাঁওয়ের ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জের পুর্নগ্রাম বনবিটস্থ গামারি ঘোনা ঝিরি এলাকার পানিতে ভাসমান অবস্থায় একটি মৃত বন্যহাতি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন বনকর্মীরা।

এদিকে মৃত হাতিটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের পর হাতিটি কী কারণে মারা গেছে তা বের করতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।

ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন স্থানীয় চাষীদের বরাত দিয়ে জানান, ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জের পুর্নগ্রাম বনবিটের ভেতরে প্রতিদিন হাতির পাল বিচরণ করে। চলতে গিয়ে হয়তো কোনো কারণে নিচে পড়ে মারা গেছে হাতিটি।

তিনি আরও জানান, হাতির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ রয়েছে। মনে হচ্ছে, পড়ে যাওয়ার সময় গাছের গুঁড়ি ও মাটির আঘাত পেয়েছে। তবে, হাতিটি কয়েকদিন আগে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাতির দেহটি উদ্ধারের পর ভেটেরিনারি চিকিৎসক দিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

তিনি জানান, মারা যাওয়া হাতিটি মাদি (মেয়ে) হাতি। এটার বয়স আনুমানিক ৮-১০ বছর হতে পারে। এর দাঁতগুলো ছোট। শুঁড়ের কাছাকাছি অক্ষত রয়েছে।

ঈদগাঁও এলাকার দিনমজুর কামাল উদ্দিন জানান, এর আগেও একই এলাকায় গুলি করে বন্যহাতি মারার ঘটনা ঘটেছিল। সে কারণে এই হাতির মৃত্যুও স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না।  

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. তহিদুল ইসলাম বলেন, মৃত হাতিটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত শেষে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। কী কারণে হাতিটি মারা গেল তা জানা গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন