পুরাতন মর্টারশেল কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণ
jugantor
পুরাতন মর্টারশেল কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণ

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

২৫ মার্চ ২০২১, ২২:৩৪:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামে বুধবার বিকালে বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি তৎপরতা বা নাশকতার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। পুরাতন মর্টারশেল কাটতে গিয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, মাটি খুঁড়ে পাওয়া মর্টারশেলটি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালের বলে মনে করা হচ্ছে। মাটি খননকালে মর্টারশেলটি পেয়ে গুপ্তধন মনে করে এটি আবুল কাসেম প্রধানের বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেটি ওই বাড়ির পরিত্যক্ত ঘরে কাটার সময় বিস্ফোরিত হয় বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমড়াডাঙ্গা গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে রানা মিয়া (২৮)। এ বিস্ফোরণের ঘটনায় বগুড়ার মোকামতলার হাবিবুর রহমানসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাড়ির চার নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া রয়েছে এবং তদন্তও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।

মর্টারশেলটি বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে কাজ করেছে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কাজ শুরু করেছেন তারা। ইতোমধ্যেই বিস্ফোরণ স্থলে অনুসন্ধান করে বিস্ফোরিত মর্টারশেলের ফিউজটি উদ্ধার করা হয়।

এডিসি রহমতুল্যা চৌধুরীর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলটি বিশেষ ব্যবস্থায় ওই ফিউজটি নিষ্ক্রিয় করেছে। ঘটনাস্থলে র্যাব, পুলিশ, সিআইডি কাজ করছে। যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আশপাশের বাড়িঘর থেকে মানুষজন সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামের আবুল কাসেম প্রধানের বাড়িতে বুধবার বিকালে বিস্ফোরণে অহেদুল ইসলাম (৩৬) ও কুয়েত প্রবাসী বোরহান উদ্দিন প্রধানসহ (৩৬) তিনজন নিহত হন। ওই সময় দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়। নিহত বোরহান উদ্দিন প্রধান ওই গ্রামের আবুল কাসেম প্রধানের ছেলে, অহেদুল ইসলাম একই গ্রামের কবির উদ্দিনের ছেলে।

পুরাতন মর্টারশেল কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণ

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
২৫ মার্চ ২০২১, ১০:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামে বুধবার বিকালে বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি তৎপরতা বা নাশকতার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। পুরাতন মর্টারশেল কাটতে গিয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, মাটি খুঁড়ে পাওয়া মর্টারশেলটি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালের বলে মনে করা হচ্ছে। মাটি খননকালে মর্টারশেলটি পেয়ে গুপ্তধন মনে করে এটি আবুল কাসেম প্রধানের বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেটি ওই বাড়ির পরিত্যক্ত ঘরে কাটার সময় বিস্ফোরিত হয় বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমড়াডাঙ্গা গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে রানা মিয়া (২৮)। এ বিস্ফোরণের ঘটনায় বগুড়ার মোকামতলার হাবিবুর রহমানসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাড়ির চার নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া রয়েছে এবং তদন্তও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।

মর্টারশেলটি বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে কাজ করেছে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কাজ শুরু করেছেন তারা। ইতোমধ্যেই বিস্ফোরণ স্থলে অনুসন্ধান করে বিস্ফোরিত মর্টারশেলের ফিউজটি উদ্ধার করা হয়।

এডিসি রহমতুল্যা চৌধুরীর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলটি বিশেষ ব্যবস্থায় ওই ফিউজটি নিষ্ক্রিয় করেছে। ঘটনাস্থলে র্যাব, পুলিশ, সিআইডি কাজ করছে। যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আশপাশের বাড়িঘর থেকে মানুষজন সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামের আবুল কাসেম প্রধানের বাড়িতে বুধবার বিকালে বিস্ফোরণে অহেদুল ইসলাম (৩৬) ও কুয়েত প্রবাসী বোরহান উদ্দিন প্রধানসহ (৩৬) তিনজন নিহত হন। ওই সময় দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়। নিহত বোরহান উদ্দিন প্রধান ওই গ্রামের আবুল কাসেম প্রধানের ছেলে, অহেদুল ইসলাম একই গ্রামের কবির উদ্দিনের ছেলে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন