সোনাগাজীতে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও বাগবিতণ্ডা
jugantor
সোনাগাজীতে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও বাগবিতণ্ডা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দেয়া হয়নি পুষ্পমাল্য

  জাবেদ হোসাইন মামুন, সোনাগাজী (ফেনী) থেকে  

২৬ মার্চ ২০২১, ১১:৫৩:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে পুষ্প মাল্যে উপজেলা প্রশাসনের নাম আগে লেখাকে কেন্দ্র করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেবের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাগবিতন্ডার পর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য দেয়া হলেও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দেয়া হয়নি পুষ্পার্ঘ। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হোসেন। শুক্রবার সকাল সাতটায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের সামনে জড়ো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুষ্পমাল্য নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভের দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপন বাধা প্রদান করে ইউএনওর কাছে জানতে চান, পুষ্পমাল্যে উপজেলা প্রশাসনের নাম আগে লেখে উপজেলা পরিষদের নাম পরে কেন লেখা হল? এসময় ইউএনও তার সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পুষ্পমাল্য নিয়ে তারা টানাটানি শুরু করেন।

তখন ক্ষুব্ধ উপজেলা চেয়ারম্যান ইউএনকে উত্তেজিত কন্ঠে বলেন, আপনী সব সময় সব প্রোগ্রামে উপজেলা প্রশাসনের নাম আগে লেখেন। উপজেলা পরিষদের নাম পরে লেখা হয় কেন? ইউএনও পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন আপনি কার সঙ্গে কথা বলছেন? ইউএনওর সঙ্গে কথা বলছেন।

দুজনের বাগবিতন্ডার সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাকির হোসেন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াতুল হক বিটু এগিয়ে এসে দু'জনকে নিবৃত্ত করেন। পরে তারা একসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য প্রদান করেন। কিন্তু পাশে রক্ষিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য দেয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে জানার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মহামুদ লিপটনের মুঠো ফোনে একাধিবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব বলেন, আমি জানি না উপজেলা চেয়ারম্যান কেন এমন করলেন। এ নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।

সোনাগাজীতে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও বাগবিতণ্ডা

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দেয়া হয়নি পুষ্পমাল্য
 জাবেদ হোসাইন মামুন, সোনাগাজী (ফেনী) থেকে 
২৬ মার্চ ২০২১, ১১:৫৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে পুষ্প মাল্যে উপজেলা প্রশাসনের নাম আগে লেখাকে কেন্দ্র করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেবের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাগবিতন্ডার পর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য দেয়া হলেও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দেয়া হয়নি পুষ্পার্ঘ। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হোসেন। শুক্রবার সকাল সাতটায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের সামনে জড়ো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুষ্পমাল্য নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভের দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপন বাধা প্রদান করে ইউএনওর কাছে জানতে চান, পুষ্পমাল্যে উপজেলা প্রশাসনের নাম আগে লেখে উপজেলা পরিষদের নাম পরে কেন লেখা হল? এসময় ইউএনও তার সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পুষ্পমাল্য নিয়ে তারা টানাটানি শুরু করেন।

তখন ক্ষুব্ধ উপজেলা চেয়ারম্যান ইউএনকে উত্তেজিত কন্ঠে বলেন, আপনী সব সময় সব প্রোগ্রামে উপজেলা প্রশাসনের নাম আগে লেখেন। উপজেলা পরিষদের নাম পরে লেখা হয় কেন? ইউএনও পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন আপনি কার সঙ্গে কথা বলছেন? ইউএনওর সঙ্গে কথা বলছেন।

দুজনের বাগবিতন্ডার সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাকির হোসেন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াতুল হক বিটু এগিয়ে এসে দু'জনকে নিবৃত্ত করেন। পরে তারা একসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য প্রদান করেন। কিন্তু পাশে রক্ষিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য দেয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে জানার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মহামুদ লিপটনের মুঠো ফোনে একাধিবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব বলেন, আমি জানি না উপজেলা চেয়ারম্যান কেন এমন করলেন। এ নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন