দখলদারদের কারণে আটকে আছে মন্দিরের উন্নয়ন
jugantor
দখলদারদের কারণে আটকে আছে মন্দিরের উন্নয়ন

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৯ মার্চ ২০২১, ২২:৫২:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবের সাদেকপুর গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ড এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত কালী মন্দিরের জায়গা দখল করে রেখেছে হিন্দু ধর্মাবলীর তিন ভাই। উচ্ছেদ করতে না পারায় মন্দিরের উন্নয়ন কাজ করতে পারছে না হিন্দুরা।

দখলদাররা হলেন- একই গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে নিরঞ্জন দাস, কমল চন্দ্র দাস ও শুকুর চন্দ্র দাস। তিন ভাইয়ের দাবি, মন্দিরের জায়গাটি তাদের বাপ-দাদার।

অপরদিকে এলাকার বসবাসরত প্রায় ৫শ হিন্দুদের দাবি, তাদের কোনো কাগজপত্র নেই। এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা তিন ভাই জবরদখল করে মন্দিরের জায়গায় ঘর তুলে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। এলাকাবাসী তাদেরকে উচ্ছেদের কথা বললেই হুমকি ধমকি দেয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

এ বিষয়ে কালী মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুসেন চন্দ্র দাস অভিযোগে জানান, এলাকায় একটি মাত্র মন্দির। এই মন্দিরে হিন্দুরা ধর্ম পালন করে। দীর্ঘদিন যাবত তারা তিন ভাই মন্দিরের জায়গায় দুটি ঘর বেঁধে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। তাদের কোনো কাগজপত্র নেই। মন্দিরের মালিকানার সব কাগজপত্র আছে, তার দাবি। এলাকায় কয়েকবার দেন - দরবার হয়েছে। সালিশ বসলে তারা সময় নিয়ে পরে জায়গাটি মুক্ত করে দেয় না। মন্দিরের ভেতর গরু রেখে মন্দিরকে অপবিত্র করে রাখে তারা। দখল না ছাড়ায় মন্দিরের উন্নয়ন কাজ করা যাচ্ছে না। বিষয়টি ইউএনও এবং থানার ওসিকে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।

এলাকার ইউপি মেম্বার মাসুদ মিয়া বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একাধিকবার সালিশ করেছি। গত দুই মাস আগে তারা একটি লিখিত দিয়েছে জায়গাটি তাদের নয়, তারা দুইমাসের মধ্য জায়গা ছেড়ে দিবে বলে অঙ্গীকারনামাও দিয়েছে। জায়গাটি ছেড়ে দিলে মন্দির কমিটির ঘরের ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাদেরকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিবে একথা বলা হয়েছে। এখন সময় পার হলেও তারা জায়গাটি দখলমুক্ত করছে না।

এ বিষয়ে দখলদার নিরঞ্জন চন্দ্র দাস বলেন, জায়গাটি আমাদের বাপ-দাদার। গ্রামে আমাদের আর কোনো সম্পত্তি নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে আমরা কোথায় যাব।

সালিশে অঙ্গীকারের কথা স্বীকার করলেও তার দাবি, মন্দির কমিটির সদস্য জোর করে কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার ভৈরব থানায় সালিশ হবে বলে তিনি জানান। সালিশে উভয়ের কাগজপত্র দেখার পর আমরা মালিক না হলে জায়গা ছেড়ে দিব।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা বলেন, মন্দিরের বিষয়টি নিয়ে এলাকার মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে বসে মীমাংসার ব্যবস্থা করা হবে।

দখলদারদের কারণে আটকে আছে মন্দিরের উন্নয়ন

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৯ মার্চ ২০২১, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবের সাদেকপুর গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ড এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত কালী মন্দিরের জায়গা দখল করে রেখেছে হিন্দু ধর্মাবলীর তিন ভাই। উচ্ছেদ করতে না পারায় মন্দিরের উন্নয়ন কাজ করতে পারছে না হিন্দুরা। 

দখলদাররা হলেন- একই গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে নিরঞ্জন দাস, কমল চন্দ্র দাস ও শুকুর চন্দ্র দাস। তিন ভাইয়ের দাবি, মন্দিরের জায়গাটি তাদের বাপ-দাদার। 

অপরদিকে এলাকার বসবাসরত প্রায় ৫শ হিন্দুদের দাবি, তাদের কোনো কাগজপত্র নেই। এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা তিন ভাই জবরদখল করে মন্দিরের জায়গায় ঘর তুলে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। এলাকাবাসী তাদেরকে উচ্ছেদের কথা বললেই হুমকি ধমকি দেয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। 

এ বিষয়ে কালী মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুসেন চন্দ্র দাস অভিযোগে  জানান, এলাকায় একটি মাত্র মন্দির। এই মন্দিরে হিন্দুরা ধর্ম পালন করে। দীর্ঘদিন যাবত তারা তিন ভাই মন্দিরের জায়গায় দুটি ঘর বেঁধে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। তাদের কোনো কাগজপত্র নেই। মন্দিরের মালিকানার সব কাগজপত্র আছে, তার দাবি। এলাকায়  কয়েকবার দেন - দরবার হয়েছে। সালিশ বসলে তারা সময় নিয়ে পরে জায়গাটি মুক্ত করে দেয় না। মন্দিরের ভেতর গরু রেখে মন্দিরকে অপবিত্র করে রাখে তারা। দখল না ছাড়ায় মন্দিরের উন্নয়ন কাজ করা যাচ্ছে না। বিষয়টি ইউএনও এবং থানার ওসিকে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। 

এলাকার ইউপি মেম্বার মাসুদ মিয়া বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একাধিকবার সালিশ করেছি। গত দুই মাস আগে তারা একটি লিখিত দিয়েছে জায়গাটি তাদের নয়, তারা দুইমাসের মধ্য জায়গা ছেড়ে দিবে বলে অঙ্গীকারনামাও দিয়েছে। জায়গাটি ছেড়ে দিলে মন্দির কমিটির ঘরের ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাদেরকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিবে একথা বলা হয়েছে। এখন সময় পার হলেও তারা জায়গাটি দখলমুক্ত করছে না। 

এ বিষয়ে দখলদার নিরঞ্জন চন্দ্র দাস বলেন, জায়গাটি আমাদের বাপ-দাদার। গ্রামে আমাদের আর কোনো সম্পত্তি নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে আমরা কোথায় যাব। 

সালিশে অঙ্গীকারের কথা স্বীকার করলেও তার দাবি, মন্দির কমিটির সদস্য জোর করে কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার ভৈরব থানায় সালিশ হবে বলে তিনি জানান। সালিশে উভয়ের কাগজপত্র দেখার পর আমরা মালিক না হলে জায়গা ছেড়ে দিব।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা বলেন, মন্দিরের বিষয়টি নিয়ে এলাকার মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে বসে মীমাংসার ব্যবস্থা করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন