মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
jugantor
মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

৩০ মার্চ ২০২১, ১৯:৩৭:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে নোয়াখালী শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মনুকে (৩২) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের চাচার নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তার চাচা মো. ইকবাল হোসেনকে (৫০)আটক করেছে।

নিহত মনু নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাশিরামপুর দত্তবাড়ি এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযুক্ত চাচা ইকবাল হোসেনকে সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাশিরাম পুরের দত্তবাড়ি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। আটককৃত ইকবাল হোসেন একই এলাকার মৃত আবদুল আলীর ছেলে।

এর আগে সোমবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার সুধারাম থানার নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের দত্তবাড়ি মোড় এলাকায় মোহাম্মদ আলী মনুকে পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের অভিযোগ, নিহত মনুর পরিবারের সঙ্গে তার চাচা ইকবালের জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই জায়গা সম্পত্তির বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচা ইকবালের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সোমবার রাতে দত্তবাড়ি এলাকা থেকে মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে আটক করে তার চাচা ইকবাল ও তার সহযোগীরা। তারপর দত্তবাড়ির পাশে একটি লেপ-তোশকের দোকানে মনুকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে।

এ সময় মনুকে বাঁচাতে গিয়ে তার ছোটভাই আহম্মদ আলী (২৭) হামলার শিকার হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী মনুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই আহমেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, তার চাচা ইকবাল হোসেন ও তার সহযোগী শাহাদাত হোসেনসহ কয়েকজন এশার নামাজের পর মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে লিটন দাসের লেপ-তোশকের দোকানে নিয়ে যায়। এ সময় তারা মনুকে আটকে রেখে লোহার রড় ও হেমার দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মনুকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর মনু মারা যায়।

নিহতের মা শাহিদা বেগম জানান, ইকবালদের সঙ্গে আমাদের জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলে মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে এনে পিটিয়ে হত্যা করেছে ইকবাল ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা।

সুধারাম থানার ওসি মো. শাহেদ উদ্দিন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাকে পুলিশ ভোরে আটক করেছে।

মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
৩০ মার্চ ২০২১, ০৭:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে নোয়াখালী শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মনুকে (৩২) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের চাচার নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তার চাচা মো. ইকবাল হোসেনকে (৫০)আটক করেছে।

নিহত মনু নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাশিরামপুর দত্তবাড়ি এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযুক্ত চাচা ইকবাল হোসেনকে সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাশিরাম পুরের দত্তবাড়ি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। আটককৃত ইকবাল হোসেন একই এলাকার মৃত আবদুল আলীর ছেলে। 

এর আগে সোমবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার সুধারাম থানার নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের দত্তবাড়ি মোড় এলাকায় মোহাম্মদ আলী মনুকে পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের অভিযোগ, নিহত মনুর পরিবারের সঙ্গে তার চাচা ইকবালের জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই জায়গা সম্পত্তির বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচা ইকবালের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সোমবার রাতে দত্তবাড়ি এলাকা থেকে মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে আটক করে তার চাচা ইকবাল ও তার সহযোগীরা। তারপর দত্তবাড়ির পাশে একটি লেপ-তোশকের দোকানে মনুকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে।

এ সময় মনুকে বাঁচাতে গিয়ে তার ছোটভাই আহম্মদ আলী (২৭) হামলার শিকার হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী মনুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই আহমেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, তার চাচা ইকবাল হোসেন ও তার সহযোগী শাহাদাত হোসেনসহ কয়েকজন এশার নামাজের পর মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে লিটন দাসের লেপ-তোশকের দোকানে নিয়ে যায়। এ সময় তারা মনুকে আটকে রেখে লোহার রড় ও হেমার দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মনুকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর মনু মারা যায়।

নিহতের মা শাহিদা বেগম জানান, ইকবালদের সঙ্গে আমাদের জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলে মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে এনে পিটিয়ে হত্যা করেছে ইকবাল ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা। 

সুধারাম থানার ওসি মো. শাহেদ উদ্দিন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চাচাকে পুলিশ ভোরে আটক করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন