হেলপার হলেও পেশাদার মাদক কারবারি, পেটে মিলল ১৫০০ ইয়াবা (ভিডিও)
jugantor
হেলপার হলেও পেশাদার মাদক কারবারি, পেটে মিলল ১৫০০ ইয়াবা (ভিডিও)

  মানিকগঞ্জ ও সাটুরিয়া প্রতিনিধি  

৩০ মার্চ ২০২১, ২১:১৪:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আবির হোসেনকে (২৩) সবাই এক নামে জানে গাড়ির হেলপার হিসেবে। কিন্তু মূল পেশা ইয়াবা ব্যবসা। পেটের মধ্যে হাজার দেড়েক করে ইয়াবার চালান পার করাই তার এখন প্রধান পেশা।

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে পেটের ভেতরে দেড় হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে ফেরার পথে র‌্যাব-৪ মঙ্গলবার সকালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে আটক করে।

এ সময় মূলহোতা আরিফকে (৩০) র‌্যাব আটক করে। র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার (এএসপি) উনু মং এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটক আবির হোসেন (২৩) মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নের নাটুয়াবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে এবং আরিফ হোসেন (৩০) একই গ্রামের ফরহাদের ছেলে।

র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার (এএসপি) উনু মং জানান, মানিকগঞ্জে হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষায় আবিরের পেটের ভেতরে ৩০টি পলিথিনের মধ্যে দেড় হাজার পিস ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয় র‌্যাব। আবির পেটের ভেতরে করে ইয়াবার চালান নিয়ে মানিকগঞ্জে ফিরছিলেন। আর আরিফ ইয়াবা কেনায় অর্থ বিনিয়োগ করেন।

র‌্যাব-৪ এর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে আবির এসব ইয়াবা গিলে খেয়ে পেটে করে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার উদ্দেশে একটি বাসে রওনা দেয়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আবির ও আরিফকে আটক করা করে র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের সদস্যরা। আরিফ সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান করছিল।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে র‌্যাবের হাতে আটক আবির হোসেনের সঙ্গে হাসপাতালে কথা বলে জানা গেছে, সহযোগী আরিফ টেকনাফ থেকে ১ হাজার ৪৫০ পিস ইয়াবা কিনে ৫০টি পলিথিনের ছোট মোড়কে থাকা এসব ইয়াবা ভরে তা পানি দিয়ে গিলে খান। এরপর পেটে করে এসব ইয়াবা সাটুরিয়ায় নেওয়া হচ্ছিল। এর আগেও একই স্টাইলে ইয়াবার চালান বহন করেছে আবির।

হেলপার হলেও পেশাদার মাদক কারবারি, পেটে মিলল ১৫০০ ইয়াবা (ভিডিও)

 মানিকগঞ্জ ও সাটুরিয়া প্রতিনিধি 
৩০ মার্চ ২০২১, ০৯:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আবির হোসেনকে (২৩) সবাই এক নামে জানে গাড়ির হেলপার হিসেবে। কিন্তু মূল পেশা ইয়াবা ব্যবসা। পেটের মধ্যে হাজার দেড়েক করে ইয়াবার চালান পার করাই তার এখন প্রধান পেশা।

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে পেটের ভেতরে দেড় হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে ফেরার পথে র‌্যাব-৪ মঙ্গলবার সকালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে আটক করে।

এ সময় মূলহোতা আরিফকে (৩০) র‌্যাব আটক করে। র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার (এএসপি) উনু মং এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটক আবির হোসেন (২৩) মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নের নাটুয়াবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে এবং আরিফ হোসেন (৩০) একই গ্রামের ফরহাদের ছেলে।

র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার (এএসপি) উনু মং জানান, মানিকগঞ্জে হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষায় আবিরের পেটের ভেতরে ৩০টি পলিথিনের মধ্যে দেড় হাজার পিস ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয় র‌্যাব। আবির পেটের ভেতরে করে ইয়াবার চালান নিয়ে মানিকগঞ্জে ফিরছিলেন। আর আরিফ ইয়াবা কেনায় অর্থ বিনিয়োগ করেন।

র‌্যাব-৪ এর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে আবির এসব ইয়াবা গিলে খেয়ে পেটে করে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার উদ্দেশে একটি বাসে রওনা দেয়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আবির ও আরিফকে আটক করা করে র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের সদস্যরা। আরিফ সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান করছিল।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে র‌্যাবের হাতে আটক আবির হোসেনের সঙ্গে হাসপাতালে কথা বলে জানা গেছে, সহযোগী আরিফ টেকনাফ থেকে ১ হাজার ৪৫০ পিস ইয়াবা কিনে ৫০টি পলিথিনের ছোট মোড়কে থাকা এসব ইয়াবা ভরে তা পানি দিয়ে গিলে খান। এরপর পেটে করে এসব ইয়াবা সাটুরিয়ায় নেওয়া হচ্ছিল। এর আগেও একই স্টাইলে ইয়াবার চালান বহন করেছে আবির।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন