বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ, বংশী নদীতে মিলল তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ
jugantor
বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ, বংশী নদীতে মিলল তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ

  আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৪ এপ্রিল ২০২১, ১৮:০১:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ সৃষ্টির পর ঢাকার আশুলিয়ার বংশী নদী থেকে তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকার বংশী নদী থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, কুরগাঁও এলাকায় সাহিদা আক্তার হ্যাপি (৩১) নামে এক পোশাক শ্রমিকের সঙ্গে স্থানীয় বাবু আকন্দের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গভীর হলে বিয়ের জন্য বাবুকে চাপ দেয় হ্যাপী। গত ৩১ মার্চ রাতে বাবু আকন্দের বাড়িতে এ ব্যাপারে দেখা করে বিয়ের জন্য চাপ দেয় হ্যাপি। এ সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এতে বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিকাকে হত্যা করে বস্তায় ভরে লাশ বংশী নদীতে ডুবিয়ে দিয়েছে।

হ্যাপীর বাবা অনেক খোঁজাখুঁজি করে হ্যাপিকে না পেয়ে আশুলিয়া থানায় একটি জিডি করেন।

এ জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়ার থানার এসআই ইকবাল হোসেন প্রেমিক বাবু আকন্দকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার ৫ দিন পর হ্যাপির লাশ বংশী নদী থেকে রোববার দুপুরে উদ্ধার করেন এসআই ইকবাল হোসেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল কুদ্দুস বেপারি বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

হ্যাপি ঝালকাঠি জেলার আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে। কুরগাঁও এলাকায় ভাড়া থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ, বংশী নদীতে মিলল তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ

 আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৪ এপ্রিল ২০২১, ০৬:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ সৃষ্টির পর ঢাকার আশুলিয়ার বংশী নদী থেকে তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকার বংশী নদী থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

পুলিশ জানায়, কুরগাঁও এলাকায় সাহিদা আক্তার হ্যাপি (৩১) নামে এক পোশাক শ্রমিকের সঙ্গে স্থানীয় বাবু আকন্দের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গভীর হলে বিয়ের জন্য বাবুকে চাপ দেয় হ্যাপী। গত ৩১ মার্চ রাতে বাবু আকন্দের বাড়িতে এ ব্যাপারে দেখা করে বিয়ের জন্য চাপ দেয় হ্যাপি। এ সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এতে বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিকাকে হত্যা করে বস্তায় ভরে লাশ বংশী নদীতে ডুবিয়ে দিয়েছে।

হ্যাপীর বাবা অনেক খোঁজাখুঁজি করে হ্যাপিকে না পেয়ে আশুলিয়া থানায় একটি জিডি করেন।

এ জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়ার থানার এসআই ইকবাল হোসেন প্রেমিক বাবু আকন্দকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার ৫ দিন পর হ্যাপির লাশ বংশী নদী থেকে রোববার দুপুরে উদ্ধার করেন এসআই ইকবাল হোসেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল কুদ্দুস বেপারি বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

হ্যাপি ঝালকাঠি জেলার আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে। কুরগাঁও এলাকায় ভাড়া থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন