শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশের
jugantor
শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশের

  জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

০৪ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৩৯:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশের। রাষ্ট্রীয় গেজেটের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম দেখে যেতে পারলেন না তিনি। রোববার সকালে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

নরেশ চন্দ্র রায় (৭০) ভারতীয় (লাল মুক্তি বার্তায়) তালিকায় নাম থাকলেও স্থানীয় জটিলতায় গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি তিনি। সর্বশেষ গত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে তার নাম জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) প্রেরণ করেন উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি। সম্প্রতি জামুকা থেকে যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানেও জায়গা পাননি তিনি।

নরেশ চন্দ্রের বাড়ি উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের চিড়াভিজা গোলনায়। তার বাবার নাম মৃত পূর্ণ চন্দ্র। জীবদ্দশায় দীর্ঘদিন তিনি বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েছিলেন স্বীকৃতির আশায়। সর্বশেষ চলতি বছরের ২১ মার্চ হৃৎপিণ্ড এবং ফুসফুসের সমস্যাজনিত কারণে ভর্তি হন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। রোববার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির (ঘাদানিক) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গাফফার বলেন, এবার যাচাই-বাছাইয়ে তার নাম পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এটা দু:খজনক। তিনি একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডিং প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, যাচাই-বাছাই করে তার নাম জামুকায় প্রেরণ করা হয়েছিল। প্রথম ফেইজে হয়তো তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তবে আশা করছি দ্বিতীয় ফেইজে তার নাম থাকবে। ভারতীয় তালিকায় যেহেতু তার নাম আছে সেহেতু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশ চন্দ্রের লাশ তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের চিড়াভিজা গোলনায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে সৎকার্য অনুষ্ঠিত হবে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে, এক ছেলে, দুই স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশের

 জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
০৪ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশের। রাষ্ট্রীয় গেজেটের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম দেখে যেতে পারলেন না তিনি। রোববার সকালে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

নরেশ চন্দ্র রায় (৭০) ভারতীয় (লাল মুক্তি বার্তায়) তালিকায় নাম থাকলেও স্থানীয় জটিলতায় গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি তিনি। সর্বশেষ গত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে তার নাম জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) প্রেরণ করেন উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি। সম্প্রতি জামুকা থেকে যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানেও জায়গা পাননি তিনি।

নরেশ চন্দ্রের বাড়ি উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের চিড়াভিজা গোলনায়। তার বাবার নাম মৃত পূর্ণ চন্দ্র। জীবদ্দশায় দীর্ঘদিন তিনি বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েছিলেন স্বীকৃতির আশায়। সর্বশেষ চলতি বছরের ২১ মার্চ হৃৎপিণ্ড এবং ফুসফুসের সমস্যাজনিত কারণে ভর্তি হন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। রোববার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির (ঘাদানিক) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গাফফার বলেন, এবার যাচাই-বাছাইয়ে তার নাম পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এটা দু:খজনক। তিনি একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডিং প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, যাচাই-বাছাই করে তার নাম জামুকায় প্রেরণ করা হয়েছিল। প্রথম ফেইজে হয়তো তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তবে আশা করছি দ্বিতীয় ফেইজে তার নাম থাকবে। ভারতীয় তালিকায় যেহেতু তার নাম আছে সেহেতু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশ চন্দ্রের লাশ তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের চিড়াভিজা গোলনায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে সৎকার্য অনুষ্ঠিত হবে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে, এক ছেলে, দুই স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন