ইউএনওকে অবরুদ্ধ করার দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা
jugantor
ইউএনওকে অবরুদ্ধ করার দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা

  কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৬ এপ্রিল ২০২১, ২৩:১২:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়াকাটায় জনসাধারণকে সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ করতে গিয়ে সোমবার রাতে ইউএনওর ওপর হামলা ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইলিয়াস শেখ দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

এদিকে কুয়াকাটা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুয়াকাটা সৈকতে পেশাদার ফটোগ্রাফার সংগঠনের সেক্রেটারি কথিত সাংবাদিক ইলিয়াস শেখসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনের বিরুদ্ধে মহিপুর থানায় জিডি করা হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শহীদুল হকের সরকারি গাড়িচালক মো. আফজাল হোসেন মঙ্গলবার বিকালে ওই জিডি দায়ের করেছেন।

সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে ইউএনওকে অবরুদ্ধ করে তার গাড়ির ওপর হামলার ঘটনায় মহিপুর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। খবর পেয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরীর নির্দেশে রাত ১২টার দিকে সরেজমিন তদন্তে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবির।

এ সময় কুয়াকাটা পৌর মেয়র মো. আনোয়ার হাওলাদারের উপস্থিতিতে ইলিয়াস শেখ ঘটনার দায় স্বীকার করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত দিয়েছেন। সোমবার রাতে ইলিয়াসকে পুলিশের লাঠিপেটা পরবর্তী ঘটনায় ইউএনওকে অবরুদ্ধ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার বিষয়ে কুয়াকাটার সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলে মঙ্গলবার দিনভর আলোচনা।

ইউএনওর মারমুখী আচরণের সমালোচনার পাশাপাশি ইলিয়াসের নেতৃত্বে কুয়াকাটায় বেপরোয়া সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ে চলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের ছবি তোলার পেশায় নিয়োজিত থাকা প্রায় দুইশত ফটোগ্রাফারের নেতৃত্বে সেকেন্ড ইন কমান্ড সম্প্রতি ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া সেই ইলিয়াস শেখ একটি আঞ্চলিক দৈনিকের সাংবাদিক হিসেবে দাপিয়ে বেড়ান বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এবং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের ফটো তোলার পেশায় নিযুক্ত হতে ইলিয়াস সিন্ডিকেটকে চাঁদা দেয়ার নানাবিধ অভিযোগ আছে। এসব বিষয়ে নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ এসেছে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের কাছে। এমনটি জানালেন কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সিনিয়র এএসপি মো. সোহরাব হোসাইন।

মহিপুর থানার ওসি যুগান্তরকে বলেন, সোমবার রাতের ঘটনায় ভয়ভীতি হুমকি এবং সরকারি কাজে বাধাদানের বিষয়ে উল্লেখ করে একটি জিডি হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক বলেন, সরকারি কাজে বাধাদান এবং আমাকে অবরুদ্ধ করে হামলার ঘটনায় মহিপুর থানায় জিডি হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেখবেন।

ইউএনওকে অবরুদ্ধ করার দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা

 কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়াকাটায় জনসাধারণকে সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ করতে গিয়ে সোমবার রাতে ইউএনওর ওপর হামলা ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইলিয়াস শেখ দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

এদিকে কুয়াকাটা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুয়াকাটা সৈকতে পেশাদার ফটোগ্রাফার সংগঠনের সেক্রেটারি কথিত সাংবাদিক ইলিয়াস শেখসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনের বিরুদ্ধে মহিপুর থানায় জিডি করা হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শহীদুল হকের সরকারি গাড়িচালক মো. আফজাল হোসেন মঙ্গলবার বিকালে ওই জিডি দায়ের করেছেন।

সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে ইউএনওকে অবরুদ্ধ করে তার গাড়ির ওপর হামলার ঘটনায় মহিপুর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। খবর পেয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরীর নির্দেশে রাত ১২টার দিকে সরেজমিন তদন্তে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবির।

এ সময় কুয়াকাটা পৌর মেয়র মো. আনোয়ার হাওলাদারের উপস্থিতিতে ইলিয়াস শেখ ঘটনার দায় স্বীকার করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত দিয়েছেন। সোমবার রাতে ইলিয়াসকে পুলিশের লাঠিপেটা পরবর্তী ঘটনায় ইউএনওকে অবরুদ্ধ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার বিষয়ে কুয়াকাটার সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলে মঙ্গলবার দিনভর আলোচনা।

ইউএনওর মারমুখী আচরণের সমালোচনার পাশাপাশি ইলিয়াসের নেতৃত্বে কুয়াকাটায় বেপরোয়া সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ে চলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের ছবি তোলার পেশায় নিয়োজিত থাকা প্রায় দুইশত ফটোগ্রাফারের নেতৃত্বে সেকেন্ড ইন কমান্ড সম্প্রতি ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া সেই ইলিয়াস শেখ একটি আঞ্চলিক দৈনিকের সাংবাদিক হিসেবে দাপিয়ে বেড়ান বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এবং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের ফটো তোলার পেশায় নিযুক্ত হতে ইলিয়াস সিন্ডিকেটকে চাঁদা দেয়ার নানাবিধ অভিযোগ আছে। এসব বিষয়ে নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ এসেছে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের কাছে। এমনটি জানালেন কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সিনিয়র এএসপি মো. সোহরাব হোসাইন।

মহিপুর থানার ওসি যুগান্তরকে বলেন, সোমবার রাতের ঘটনায় ভয়ভীতি হুমকি এবং সরকারি কাজে বাধাদানের বিষয়ে উল্লেখ করে একটি জিডি হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক বলেন, সরকারি কাজে বাধাদান এবং আমাকে অবরুদ্ধ করে হামলার ঘটনায় মহিপুর থানায় জিডি হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেখবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন