বগুড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার দাবিতে বিক্ষোভ
jugantor
বগুড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার দাবিতে বিক্ষোভ

  বগুড়া ব্যুরো  

০৬ এপ্রিল ২০২১, ২৩:২২:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় লকডাউনের মধ্যে দোকান খুলে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্স ও মোবাইল টেকনিশিয়ান ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের সাতমাথায় এ বিক্ষোভ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সমাবেশে ব্যবসায়ীরা বলেন, তারাও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা নিয়ে ব্যবসা করেন। তাই তাদের প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা জরুরি।

তারা আরও বলেন, গত বছরের লকডাউনে যে ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও পুষিয়ে নিতে পারেননি। এবারের লকডাউন অব্যাহত থাকলে তাদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। তাই স্বাধ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইলেকট্রিক্যাল পণ্য জরুরি সেবার অংশ। প্রশাসন কেন এটা বুঝতে চায় না।

সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার চক্রবর্তী জানান, তারা অন্তত ৮০ জন ব্যবসায়ী সমবেত হয়েছেন। উপস্থিত আছেন তারো কয়েকশ’ ব্যবসায়ী।

বগুড়া জেলা মোবাইল ফোন টেকনিশিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মমিনুর রহমান তুহিন বলেন, তাদের দোকানের ভাড়া অনেক বেশি। লকডাউনে কাজ করতে না পারলে তাদের সংসার চলবে না দোকান ভাড়াও দিতে পারবেন না।

সংগঠনের অপর নেতা মো. স্বাধীন জানান, মোবাইল সার্ভিসিং জরুরি সেবা। তাই তাদের প্রতিষ্ঠান চালু রাখার অনুমতি দেওয়া উচিত। বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়টি জেলা প্রশাসক ভালো জানবেন।

এদিকে লকডাউনের প্রথমদিন সোমবার শহরের রানার প্লাজা মার্কেট খোলার দাবি জানিয়েছেন বিপুলসংখ্যাক কর্মচারী। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন।

ব্যবসায়ীরা বলেন, গত বছর লকডাউনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেননি। রোজার আগে এভাবে দোকান বন্ধ রাখা হলে তাদের পথে বসতে হবে।

বগুড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার দাবিতে বিক্ষোভ

 বগুড়া ব্যুরো 
০৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় লকডাউনের মধ্যে দোকান খুলে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্স ও মোবাইল টেকনিশিয়ান ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের সাতমাথায় এ বিক্ষোভ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সমাবেশে ব্যবসায়ীরা বলেন, তারাও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা নিয়ে ব্যবসা করেন। তাই তাদের প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা জরুরি।

তারা আরও বলেন, গত বছরের লকডাউনে যে ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও পুষিয়ে নিতে পারেননি। এবারের লকডাউন অব্যাহত থাকলে তাদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। তাই স্বাধ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইলেকট্রিক্যাল পণ্য জরুরি সেবার অংশ। প্রশাসন কেন এটা বুঝতে চায় না।

সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার চক্রবর্তী জানান, তারা অন্তত ৮০ জন ব্যবসায়ী সমবেত হয়েছেন। উপস্থিত আছেন তারো কয়েকশ’ ব্যবসায়ী।

বগুড়া জেলা মোবাইল ফোন টেকনিশিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মমিনুর রহমান তুহিন বলেন, তাদের দোকানের ভাড়া অনেক বেশি। লকডাউনে কাজ করতে না পারলে তাদের সংসার চলবে না দোকান ভাড়াও দিতে পারবেন না।

সংগঠনের অপর নেতা মো. স্বাধীন জানান, মোবাইল সার্ভিসিং জরুরি সেবা। তাই তাদের প্রতিষ্ঠান চালু রাখার অনুমতি দেওয়া উচিত। বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়টি জেলা প্রশাসক ভালো জানবেন।

এদিকে লকডাউনের প্রথমদিন সোমবার শহরের রানার প্লাজা মার্কেট খোলার দাবি জানিয়েছেন বিপুলসংখ্যাক কর্মচারী। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন।

ব্যবসায়ীরা বলেন, গত বছর লকডাউনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেননি। রোজার আগে এভাবে দোকান বন্ধ রাখা হলে তাদের পথে বসতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন