লাশ হয়ে বাবার বাড়ি ফিরলেন গৃহবধূ স্বর্ণা
jugantor
লাশ হয়ে বাবার বাড়ি ফিরলেন গৃহবধূ স্বর্ণা

  রংপুর ব্যুরো  

০৬ এপ্রিল ২০২১, ২৩:২৯:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের মিঠাপুকুরে স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আশরাফুল ইসলাম নামের এক র্যা ব সদস্যের বিরুদ্ধে। তিনি রাজশাহীতে র্যািবে কর্মরত।

এ ঘটনার প্রতিবাদে নিহতের পরিবার-স্বজন ও স্থানীয় গ্রামবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে রংপুর মিঠাপুকুরের ইমাদপুর সরকারপাড়া গ্রামে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

নিহতের পরিবার-স্বজনরা জানান, মিঠাপুকুরের ইমাদপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের হাফিজার রহমান মুহুরির মেয়ে তামান্না ইয়াসমিন স্বর্ণার (২২) সঙ্গে ২০১৯ সালে একই উপজেলার বালারহাট তাজপুর গ্রামের বাসিন্দা র্যা্বে কর্মরত আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় স্বর্ণার পরিবারের পক্ষ থেকে নগদ অর্থসহ আসবাবপত্র ও বিভিন্ন উপঢৌকন দেয়া হয়।

বিয়ের পর থেকে নানা অজুহাতে স্বর্ণাকে নির্যাতন করত আশরাফুল। প্রায়ই মারধর করত। ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল আশরাফুলের। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশও হয়।

তারা বলেন, গত মাসে স্বর্ণাকে বাবার বাড়ি থেকে কর্মস্থল রাজশাহী র্যাীব-৫ এর কোয়ার্টারে নিয়ে যায় আশরাফুল। এর ১৫ দিন পর গত রোববার মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ পায় তারা। পরে সোমবার রাজশাহীতে গিয়ে মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পায় তারা।

এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও সুরতহাল রিপোর্টে নির্যাতনের ঘটনা উল্লেখ করা হয়। পরে সোমবার রাতেই হাসপাতাল থেকে স্বর্ণার লাশ মিঠাপুকুরের সরকারপাড়ার গ্রামের বাড়ি নিয়ে এসে দাফন করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, স্বর্ণাকে তার স্বামী নির্যাতনের পর হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি করেন তারা। এদিকে এ ঘটনায় র্যা ব সদস্য আশরাফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে রাজশাহীতে র্যা ব-৫ এর সদর দফতরের কোয়ার্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত স্বর্ণা আশরাফুল ইসলাম নামের এক র্যাবব সদস্যের স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে তিনি ওই কোয়ার্টারেই থাকতেন। সেখান থেকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

লাশ হয়ে বাবার বাড়ি ফিরলেন গৃহবধূ স্বর্ণা

 রংপুর ব্যুরো 
০৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের মিঠাপুকুরে স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আশরাফুল ইসলাম নামের এক র্যা ব সদস্যের বিরুদ্ধে। তিনি রাজশাহীতে র্যািবে কর্মরত।

এ ঘটনার প্রতিবাদে নিহতের পরিবার-স্বজন ও স্থানীয় গ্রামবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে রংপুর মিঠাপুকুরের ইমাদপুর সরকারপাড়া গ্রামে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

নিহতের পরিবার-স্বজনরা জানান, মিঠাপুকুরের ইমাদপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের হাফিজার রহমান মুহুরির মেয়ে তামান্না ইয়াসমিন স্বর্ণার (২২) সঙ্গে ২০১৯ সালে একই উপজেলার বালারহাট তাজপুর গ্রামের বাসিন্দা র্যা্বে কর্মরত আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় স্বর্ণার পরিবারের পক্ষ থেকে নগদ অর্থসহ আসবাবপত্র ও বিভিন্ন উপঢৌকন দেয়া হয়।

বিয়ের পর থেকে নানা অজুহাতে স্বর্ণাকে নির্যাতন করত আশরাফুল। প্রায়ই মারধর করত। ঘরে স্ত্রী রেখে একাধিক মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল আশরাফুলের। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশও হয়।

তারা বলেন, গত মাসে স্বর্ণাকে বাবার বাড়ি থেকে কর্মস্থল রাজশাহী র্যাীব-৫ এর কোয়ার্টারে নিয়ে যায় আশরাফুল। এর ১৫ দিন পর গত রোববার মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ পায় তারা। পরে সোমবার রাজশাহীতে গিয়ে মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পায় তারা।

এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও সুরতহাল রিপোর্টে নির্যাতনের ঘটনা উল্লেখ করা হয়। পরে সোমবার রাতেই হাসপাতাল থেকে স্বর্ণার লাশ মিঠাপুকুরের সরকারপাড়ার গ্রামের বাড়ি নিয়ে এসে দাফন করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, স্বর্ণাকে তার স্বামী নির্যাতনের পর হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি করেন তারা। এদিকে এ ঘটনায় র্যা ব সদস্য আশরাফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে রাজশাহীতে র্যা ব-৫ এর সদর দফতরের কোয়ার্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত স্বর্ণা আশরাফুল ইসলাম নামের এক র্যাবব সদস্যের স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে তিনি ওই কোয়ার্টারেই থাকতেন। সেখান থেকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন