সুযোগ পেয়েও মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত অয়নের
jugantor
সুযোগ পেয়েও মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত অয়নের

  কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

০৮ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৪২:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা দরিদ্র অদম্য মেধাবী অয়ন কুমার দে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। দরিদ্রতার কারণে মেডিকেলে ভর্তি হওয়া আর পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় এমবিবিএসে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

স্কুলের বারান্দায় পা রাখার ছয় মাস আগে প্রাণঘাতী ব্রেন টিউমারের কাছে হার মানেন অয়নের বাবা নিধু রঞ্জন দে। বাবার স্বপ্ন ছেলে ডাক্তার হবে। মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ বাবার স্বপ্ন পূরণে প্রথম ধাপ অতিক্রম করলেন অয়ন। কিন্তু মেডিকেল কলেজে ভর্তি ও লেখাপড়া চালিয়ে ডাক্তার হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এত খরচ চালাবেন কীভাবে তা নিয়ে রয়েছেন দুশ্চিন্তায়।

অয়নের মা কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুরের গৃহিণী অনিমা রাণী দে। বাবার অবর্তমানে দুই ছেলেকে নিয়ে ২০০৫ সাল থেকে সংগ্রাম করে পরিবার চালাচ্ছেন। স্বামীর স্বপ্ন পূরণে তিনি সন্তানদের লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন। তাই অয়নের সাফল্যে সবচেয়ে খুশি মা অনিমা দে।

অয়ন জানান, বাবার স্বপ্ন আর মায়ের অনুপ্রেরণা আজকের এ সাফল্য। বাবা বেঁচে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। অয়ন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ এবং আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান। এছাড়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন। ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জানার পর প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা করে পড়ালেখা করতেন। ছোটবেলা থেকে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যেই পড়াশোনা করেছি মায়ের অনুপ্রেরণা নিয়ে।

সুযোগ পেয়েও মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত অয়নের

 কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
০৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা দরিদ্র অদম্য মেধাবী অয়ন কুমার দে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। দরিদ্রতার কারণে মেডিকেলে ভর্তি হওয়া আর পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় এমবিবিএসে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

স্কুলের বারান্দায় পা রাখার ছয় মাস আগে প্রাণঘাতী ব্রেন টিউমারের কাছে হার মানেন অয়নের বাবা নিধু রঞ্জন দে। বাবার স্বপ্ন ছেলে ডাক্তার হবে। মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ বাবার স্বপ্ন পূরণে প্রথম ধাপ অতিক্রম করলেন অয়ন। কিন্তু মেডিকেল কলেজে ভর্তি ও লেখাপড়া চালিয়ে ডাক্তার হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এত খরচ চালাবেন কীভাবে তা নিয়ে রয়েছেন দুশ্চিন্তায়।

অয়নের মা কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুরের গৃহিণী অনিমা রাণী দে। বাবার অবর্তমানে দুই ছেলেকে নিয়ে ২০০৫ সাল থেকে সংগ্রাম করে পরিবার চালাচ্ছেন। স্বামীর স্বপ্ন পূরণে তিনি সন্তানদের লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন। তাই অয়নের সাফল্যে সবচেয়ে খুশি মা অনিমা দে।

অয়ন জানান, বাবার স্বপ্ন আর মায়ের অনুপ্রেরণা আজকের এ সাফল্য। বাবা বেঁচে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। অয়ন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ এবং আলী আমজদ  উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান। এছাড়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন। ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জানার পর প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা করে পড়ালেখা করতেন। ছোটবেলা থেকে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যেই পড়াশোনা করেছি মায়ের অনুপ্রেরণা নিয়ে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন