নগদ-বিকাশের কোটি টাকা নিয়ে গ্রেফতার তিনজনই মধুপুরের
jugantor
নগদ-বিকাশের কোটি টাকা নিয়ে গ্রেফতার তিনজনই মধুপুরের

  মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

০৮ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩২:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনের সেন্টমার্টিন রিসোর্টে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন নগদ-বিকাশের তিন কর্মচারী। তারা সবাই টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বাসিন্দা। প্রতারণার দায়ে বুধবার সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের আনিসুল হকের ছেলে মো. আতিকুর রহমান (২৪), ভবানীটেকি গ্রামের আ. হামিদের ছেলে নুরুল ইসলাম (২৫) ও দড়িহাসিল গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে শামীম (২৫)।

মির্জাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী তালুকদার তাদের পরিচয় এবং তারা নগদ বিকাশের কর্মচারী বলে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় নগদ-বিকাশের কর্মচারী (এসআর) হিসেবে তারা কাজ করতেন। গ্রাহকদের প্রায় কোটি টাকা পোস্টিং না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে গা ঢাকা দেয়। এ নিয়ে ঘাটাইল থানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মামলা করে।

তিনি আরও জানান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়। অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন রিসোর্টে আত্মগোপনে থাকা প্রতারক তিনজনকে ডিবি পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়।

ঘাটাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের আনতে ঘাটাইলের পুলিশ কর্মকর্তারা কক্সবাজার গেছেন।

নগদ-বিকাশের কোটি টাকা নিয়ে গ্রেফতার তিনজনই মধুপুরের

 মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
০৮ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনের সেন্টমার্টিন রিসোর্টে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন নগদ-বিকাশের তিন কর্মচারী। তারা সবাই টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বাসিন্দা। প্রতারণার দায়ে বুধবার সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের আনিসুল হকের ছেলে মো. আতিকুর রহমান (২৪), ভবানীটেকি গ্রামের আ. হামিদের ছেলে নুরুল ইসলাম (২৫) ও দড়িহাসিল গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে শামীম (২৫)।

মির্জাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী তালুকদার তাদের পরিচয় এবং তারা নগদ বিকাশের কর্মচারী বলে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় নগদ-বিকাশের কর্মচারী (এসআর) হিসেবে তারা কাজ করতেন। গ্রাহকদের প্রায় কোটি টাকা পোস্টিং না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে গা ঢাকা দেয়। এ নিয়ে ঘাটাইল থানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মামলা করে।

তিনি আরও জানান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়। অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন রিসোর্টে আত্মগোপনে থাকা প্রতারক তিনজনকে ডিবি পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়।

ঘাটাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের আনতে ঘাটাইলের পুলিশ কর্মকর্তারা কক্সবাজার গেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন