পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিতে দেবীকে হত্যা করেন পাচু বিশ্বাস
jugantor
পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিতে দেবীকে হত্যা করেন পাচু বিশ্বাস

  যশোর ব্যুরো  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:১৪:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মণিরামপুরে দেবী টিকাদার (৩৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত মণিরামপুরের নেবুগাতী গ্রামের পাচু বিশ্বাসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দেন তিনি।

জবানবন্দিতে পাচু বিশ্বাস জানান, চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন দেবী টিকাদার। এ কারণে চাকু দিয়ে তাকে হত্যা করেন তিনি।

নিহত দেবী মণিরামপুর উপজেলার কুচলিয়া গ্রামের পীযূষকান্তি টিকাদারের স্ত্রী।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুরে মণিরামপুর উপজেলার কুচলিয়া গ্রামের একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে দেবী টিকাদারের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের বুক, থুতনি এবং হাঁটুতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় দেবী টিকাদারের স্বামী পীযূষকান্তি টিকাদার সোমবার রাতে মণিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় দুই থেকে তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

যশোরের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বুধবার রাতে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোলগাতিয়া গ্রাম থেকে পাচু বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে। এরপর তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ওই রাতে কুচলিয়া গ্রামের মুকুন্দ সরকারের পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে পাচু বিশ্বাস জানিয়েছেন, পীযূষকান্তি টিকাদারের স্ত্রী থাকা অবস্থায় দেবী টিকাদারের সঙ্গে পাচু বিশ্বাসের প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর দেবীকে নিয়ে পাচু অন্যত্র চলে যান। দুই বছর একসঙ্গে থাকার পর তারা নিজ নিজ বাড়ি ফিরে আসেন। কিন্তু পাচুর সঙ্গে দেবীর সম্পর্ক রয়ে যায়।

গোপনে তারা বিভিন্ন জায়গায় দেখা করতেন। দেবী প্রায়ই পাচুর কাছে টাকা দাবি করতেন। ঘটনার দুই দিন আগে বৃহস্পতিবার পাচু চাহিদা মতো দেবীকে সাত হাজার টাকা দেন। এরপর শনিবার আবার দেবী তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু পাচু তাকে দুই হাজার টাকা দেন। এতে দেবী ক্ষুব্ধ হয়ে পাচুকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় পাচু চাকু দিয়ে দেবীকে হত্যা করেন।

দেবীর স্বামী পিযুষ টিকাদার অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী বাজারে তরকারি বিক্রি করেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দেবী পাশের গ্রামের এক ব্যক্তির বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হন। এরপর সোমবার সকালে বাড়ির পাশে একটি মাছের ঘেরের পাড়ে বিবস্ত্র অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়।

পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিতে দেবীকে হত্যা করেন পাচু বিশ্বাস

 যশোর ব্যুরো 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:১৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মণিরামপুরে দেবী টিকাদার (৩৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত মণিরামপুরের নেবুগাতী গ্রামের পাচু বিশ্বাসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দেন তিনি।

জবানবন্দিতে পাচু বিশ্বাস জানান, চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন দেবী টিকাদার। এ কারণে চাকু দিয়ে তাকে হত্যা করেন তিনি।

নিহত দেবী মণিরামপুর উপজেলার কুচলিয়া গ্রামের পীযূষকান্তি টিকাদারের স্ত্রী।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম  জানান, সোমবার দুপুরে মণিরামপুর উপজেলার কুচলিয়া গ্রামের একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে দেবী টিকাদারের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের বুক, থুতনি এবং হাঁটুতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় দেবী টিকাদারের স্বামী পীযূষকান্তি টিকাদার সোমবার রাতে মণিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় দুই থেকে তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

যশোরের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বুধবার রাতে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোলগাতিয়া গ্রাম থেকে পাচু বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে। এরপর তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ওই রাতে কুচলিয়া গ্রামের মুকুন্দ সরকারের পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে পাচু বিশ্বাস জানিয়েছেন, পীযূষকান্তি টিকাদারের স্ত্রী থাকা অবস্থায় দেবী টিকাদারের সঙ্গে পাচু বিশ্বাসের প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর দেবীকে নিয়ে পাচু অন্যত্র চলে যান। দুই বছর একসঙ্গে থাকার পর তারা নিজ নিজ বাড়ি ফিরে আসেন। কিন্তু পাচুর সঙ্গে দেবীর সম্পর্ক রয়ে যায়।

গোপনে তারা বিভিন্ন জায়গায় দেখা করতেন। দেবী প্রায়ই পাচুর কাছে টাকা দাবি করতেন। ঘটনার দুই দিন আগে বৃহস্পতিবার পাচু চাহিদা মতো দেবীকে সাত হাজার টাকা দেন। এরপর শনিবার আবার দেবী তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু পাচু তাকে দুই হাজার টাকা দেন। এতে দেবী ক্ষুব্ধ হয়ে পাচুকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় পাচু চাকু দিয়ে দেবীকে হত্যা করেন।

দেবীর স্বামী পিযুষ টিকাদার অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী বাজারে তরকারি বিক্রি করেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দেবী পাশের গ্রামের এক ব্যক্তির বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হন। এরপর সোমবার সকালে বাড়ির পাশে একটি মাছের ঘেরের পাড়ে বিবস্ত্র অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন