সাভারে নিজ বাসায় বৃদ্ধার ক্ষতবিক্ষত পোড়া লাশ 
jugantor
সাভারে নিজ বাসায় বৃদ্ধার ক্ষতবিক্ষত পোড়া লাশ 

  যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ২২:১৬:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

সাভারে খাগান এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ফাতেমা আক্তার (৬২) নামের এক বৃদ্ধার ক্ষত-বিক্ষত আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগান এলাকার নিজ বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফাতেমা যশোর জেলার বাঘাপাড়া থানা এলাকার ড. শেখ ফজলুর রহমানের মেয়ে। তিনি ওই এলাকায় তার ছেলে জাহিদুল আলমের বাসায় থাকতেন।

নিহতের ছেলে জাহিদুল আলম বলেন, আমি একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হওয়ায় কাজের সুবাদে রাজধানীর মিরপুরে বসবাস করি। প্রতি শুক্রবার ছুটির দিনে খাগানে নিজ বাসায় মাকে দেখতে আসি। সেই অনুযায়ী আজ সকালে মাকে দেখতে আসি।

এ সময় বাড়িতে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কাজের লোককে প্রাচীর টপকে ভিতরে গিয়ে দেখতে বলি। কাজের লোক ভিতর থেকে ঘুরে এসে আমাকে জানায় মা বাহিরে পড়ে আছে। পরে গেট খুলে ভিতরে প্রবেশ করে মায়ের মরদেহ দেখতে পাই।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম মা স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে। কিন্তু তার কাঁধে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে জানাই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী আরও দুই দিন আগেই মারা গেছেন।

সাভারে নিজ বাসায় বৃদ্ধার ক্ষতবিক্ষত পোড়া লাশ 

 যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাভারে খাগান এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ফাতেমা আক্তার (৬২) নামের এক বৃদ্ধার ক্ষত-বিক্ষত আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগান এলাকার নিজ বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফাতেমা যশোর জেলার বাঘাপাড়া থানা এলাকার ড. শেখ ফজলুর রহমানের মেয়ে। তিনি ওই এলাকায় তার ছেলে জাহিদুল আলমের বাসায় থাকতেন।

নিহতের ছেলে জাহিদুল আলম বলেন, আমি একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হওয়ায় কাজের সুবাদে রাজধানীর মিরপুরে বসবাস করি। প্রতি শুক্রবার ছুটির দিনে খাগানে নিজ বাসায় মাকে দেখতে আসি। সেই অনুযায়ী আজ সকালে মাকে দেখতে আসি। 

এ সময় বাড়িতে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কাজের লোককে প্রাচীর টপকে ভিতরে গিয়ে দেখতে বলি। কাজের লোক ভিতর থেকে ঘুরে এসে আমাকে জানায় মা বাহিরে পড়ে আছে। পরে গেট খুলে ভিতরে প্রবেশ করে মায়ের মরদেহ দেখতে পাই।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম মা স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে। কিন্তু তার কাঁধে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে জানাই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী আরও দুই দিন আগেই মারা গেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন