হেফাজতের তাণ্ডবে বি'বাড়িয়া জেলা পরিষদের ৫ কোটি টাকার ক্ষতি
jugantor
হেফাজতের তাণ্ডবে বি'বাড়িয়া জেলা পরিষদের ৫ কোটি টাকার ক্ষতি

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

১১ এপ্রিল ২০২১, ২১:৫০:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের চালানো তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের আনুমানিক পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি।

রোববার দুপুর ১টায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি বলেন, গত ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে ৪০০-৫০০ মাদ্রাসাছাত্র এবং দুষ্কৃতকারীরা শহরের কাউতলি এলাকার জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় ডাকবাংলোতে অবস্থানরত তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দারোয়ান কাম-কেয়ারটেকার কোনোরকমে আত্মরক্ষা করেন।

এছাড়া বাংলোর তৃতীয়তলার উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত একজন শ্রমিক লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো মেরামতে ২ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন হবে। আর সর্বমোট ক্ষয়ক্ষতি টাকার অংকে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা হবে। যারা রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, সচিব মেহের নিগার, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রতীশ চন্দ্র রায়, হিসাবরক্ষক কাজী সানাউল হক, প্রধান সহকারী মো. নুরুর রহমান, উচ্চমান সহকারী আমির হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান চৌধুরী ও আবুল হোসেন আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হেফাজতের তাণ্ডবে বি'বাড়িয়া জেলা পরিষদের ৫ কোটি টাকার ক্ষতি

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
১১ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের চালানো তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের আনুমানিক পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি।

রোববার দুপুর ১টায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি বলেন, গত ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে ৪০০-৫০০ মাদ্রাসাছাত্র এবং দুষ্কৃতকারীরা শহরের কাউতলি এলাকার জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় ডাকবাংলোতে অবস্থানরত তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দারোয়ান কাম-কেয়ারটেকার কোনোরকমে আত্মরক্ষা করেন।

এছাড়া বাংলোর তৃতীয়তলার উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত একজন শ্রমিক লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো মেরামতে ২ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন হবে। আর সর্বমোট ক্ষয়ক্ষতি টাকার অংকে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা হবে। যারা রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, সচিব মেহের নিগার, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রতীশ চন্দ্র রায়, হিসাবরক্ষক কাজী সানাউল হক, প্রধান সহকারী মো. নুরুর রহমান, উচ্চমান সহকারী আমির হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান চৌধুরী ও আবুল হোসেন আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন