ফেরিওয়ালার মেয়ে তামান্নার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে পাশে এমপি আছলাম
jugantor
ফেরিওয়ালার মেয়ে তামান্নার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে পাশে এমপি আছলাম

  ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ১৯:২২:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেরিওয়ালার মেধাবী মেয়ে তামান্নার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর। নগদ ২০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে তামান্নার পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন এমপি।

চলতি শিক্ষাবর্ষে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থাভাবে ভর্তি ও লেখাপড়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল মেধাবী তামান্নার। তার ভর্তির অনিশ্চয়তার বিষয়টি সংসদ সদস্য অবগত হন। তিনি তামান্নার মেডিকেলে ভর্তির যাবতীয় খরচসহ তার পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বেলদহ গ্রামের দরিদ্র ফেরিওয়ালা তারা মিয়ার মেধাবী মেয়ে তামান্না। সে এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় ২২৬৭তম স্থান পেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সংসদ সদস্যের এই মানবিক কাজে তামান্নার স্বপ্ন পূরণের বাধা কেটে গেল বলে জানিয়েছে তামান্নার পরিবার।

তামান্নার বাবা তারা মিয়া ও মা লাইলী বেগম বলেন, আমাদের স্বপ্ন ছিল মেয়েকে ডাক্তার বানাব, আল্লাহর রহমতে মেয়ে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে কিন্তু আর্থিক সংকটে মেয়েকে ভর্তি করানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আমাদের এমপি মহোদয় এ বিপদের সময় এগিয়ে এসেছেন, আমাদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে মেয়ের ভর্তি খরচসহ আর্থিকভাবে আমাদের পরিবারকে সহযোগিতা করেছেন। এ জন্য আমরা তার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে বাঁচিয়ে রাখেন এবং আমাদের মতো গরিব মানুষকে সারা জীবন সাহায্য করার সুযোগ পান।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আমার স্থানীয় কর্মীদের মাধ্যমে মেয়েটির বিষয় জেনে সহযোগিতা করেছি। মেধাবী শিক্ষার্থী তামান্নার রংপুর মেডিকেলে ভর্তির খরচ ও তামান্নার পরিবারকে আমার দেয়া আর্থিক সহযোগিতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভালোবাসার উপহার হিসেবে আমি মনে করব।

তিনি আরও বলেন, আমি তামান্নার মেডিকেল ভর্তির খরচের পাশাপাশি তার বাবা তারা মিয়াকে একটি স্থায়ীভাবে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করব; যা দিয়ে তামান্নার পড়ালেখার খরচ ও পরিবারের অন্যান্য চাহিদা মেটাতে পারবে বলে আমি আশা করছি। এ সহযোগিতা আমার নিজস্ব দায়িত্ববোধ থেকেই করছি। এলাকার মেধাবীদের সামর্থ্য অনুযায়ী এভাবেই সহযোগিতা করে যাবেন বলে তিনি জানান।

ফেরিওয়ালার মেয়ে তামান্নার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে পাশে এমপি আছলাম

 ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেরিওয়ালার মেধাবী মেয়ে তামান্নার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর। নগদ ২০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে তামান্নার পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন এমপি।

চলতি শিক্ষাবর্ষে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থাভাবে ভর্তি ও লেখাপড়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল মেধাবী তামান্নার। তার ভর্তির অনিশ্চয়তার বিষয়টি সংসদ সদস্য অবগত হন। তিনি তামান্নার মেডিকেলে ভর্তির যাবতীয় খরচসহ তার পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বেলদহ গ্রামের দরিদ্র ফেরিওয়ালা তারা মিয়ার মেধাবী মেয়ে তামান্না। সে এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় ২২৬৭তম স্থান পেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সংসদ সদস্যের এই মানবিক কাজে তামান্নার স্বপ্ন পূরণের বাধা কেটে গেল বলে জানিয়েছে তামান্নার পরিবার।

তামান্নার বাবা তারা মিয়া ও মা লাইলী বেগম বলেন,  আমাদের স্বপ্ন ছিল মেয়েকে ডাক্তার বানাব, আল্লাহর রহমতে মেয়ে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে কিন্তু আর্থিক সংকটে মেয়েকে ভর্তি করানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আমাদের এমপি মহোদয় এ বিপদের সময় এগিয়ে এসেছেন, আমাদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে মেয়ের ভর্তি খরচসহ আর্থিকভাবে আমাদের পরিবারকে সহযোগিতা করেছেন। এ জন্য আমরা তার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে বাঁচিয়ে রাখেন এবং আমাদের মতো গরিব মানুষকে সারা জীবন সাহায্য করার সুযোগ পান।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আমার স্থানীয় কর্মীদের মাধ্যমে মেয়েটির বিষয় জেনে সহযোগিতা করেছি। মেধাবী শিক্ষার্থী তামান্নার রংপুর মেডিকেলে ভর্তির খরচ ও তামান্নার পরিবারকে আমার দেয়া আর্থিক সহযোগিতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভালোবাসার উপহার হিসেবে আমি মনে করব।

তিনি আরও বলেন, আমি তামান্নার মেডিকেল ভর্তির খরচের পাশাপাশি তার বাবা তারা মিয়াকে একটি স্থায়ীভাবে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করব; যা দিয়ে তামান্নার পড়ালেখার খরচ ও পরিবারের অন্যান্য চাহিদা মেটাতে পারবে বলে আমি আশা করছি। এ সহযোগিতা আমার নিজস্ব দায়িত্ববোধ থেকেই করছি। এলাকার মেধাবীদের সামর্থ্য অনুযায়ী এভাবেই সহযোগিতা করে যাবেন বলে তিনি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন