‘হেফাজতের ধ্বংসযজ্ঞ একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে’
jugantor
‘হেফাজতের ধ্বংসযজ্ঞ একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ২২:৪১:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতের হরতালের নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে- এমন ধ্বংসাত্মক ঘটনা জাতি আগে কখনো দেখেনি। হরতালের নামে হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপি-জামায়াত মিলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তা একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে তারা চেয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবকিছু ধ্বংস করে দিতে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিদর্শনকালে মঙ্গলবার এসব কথা বলেন।

তিনি পরিদর্শন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব, সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা পরিষদ ভবন, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, সদর উপজেলা ভূমি অফিস, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের বাসভবন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভনের বাসভবন। এ সময় এখানে ক্ষতিগ্রস্তদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল আলম এমএসসি, জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. হেলাল উদ্দিন, জেলা পরিষদ সচিব মেহের নিগার, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তানজিল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জাদিদ আল রহমান জনি প্রমুখ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ মার্চ বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। এর ফলে গত ২৭ মার্চ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলওয়ে স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ ও ২৮ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলাম ও তাদের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে এ ধ্বংসযজ্ঞ করে।

‘হেফাজতের ধ্বংসযজ্ঞ একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতের হরতালের নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে- এমন ধ্বংসাত্মক ঘটনা জাতি আগে কখনো দেখেনি। হরতালের নামে হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপি-জামায়াত মিলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তা একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে তারা চেয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবকিছু ধ্বংস করে দিতে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিদর্শনকালে মঙ্গলবার এসব কথা বলেন।

তিনি পরিদর্শন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব, সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা পরিষদ ভবন, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, সদর উপজেলা ভূমি অফিস, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের বাসভবন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভনের বাসভবন। এ সময় এখানে ক্ষতিগ্রস্তদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল আলম এমএসসি, জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. হেলাল উদ্দিন, জেলা পরিষদ সচিব মেহের নিগার, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তানজিল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জাদিদ আল রহমান জনি প্রমুখ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ মার্চ বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। এর ফলে গত ২৭ মার্চ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলওয়ে স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ ও ২৮ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলাম ও তাদের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে এ ধ্বংসযজ্ঞ করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন