বখাটের উৎপাতে স্কুলছাত্রীকে বাল্যবিয়ে, রক্ষা করলেন এসিল্যান্ড
jugantor
বখাটের উৎপাতে স্কুলছাত্রীকে বাল্যবিয়ে, রক্ষা করলেন এসিল্যান্ড

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

১৪ এপ্রিল ২০২১, ১৯:০৫:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা ভূমি সহকারী কমিশনারের (এসিল্যান্ড) হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ হয়েছে। তবে ছাত্রীর পরিবারের দাবি, ইভটিজিং থেকে রক্ষা পেতে তাকে বিয়ে দেয়া হচ্ছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর দৌলতদিয়া সোনা উল্লাহ ফকীর পাড়ায় ছাত্রীর বাড়িতে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়।

জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের গোপালবাড়ী গ্রামের এর রবিউল ইসলামের ছেলের সঙ্গে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ওই স্কুল ছাত্রীর বিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছিল। সে স্থানীয় দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুলের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় কিছু বখাটে ছেলে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সে জন্য মান ইজ্জতের ভয়ে এবং মেয়েকে রক্ষা করতে তারা এ বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এসিল্যান্ড স্যার সাহস দেয়ায় এখন তারা ভরসা পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বাল্যবিয়ের গোপন সংবাদ পেয়ে আমি কনের বাড়িতে উপস্থিত হই। আমি ছাত্রীর অভিভাবকদের বাল্যবিয়ের কুফল এ আইনগত অপরাধের বিষয়ে তারা বিয়ে বন্ধ করতে রাজি হন। সেইসাথে কনের বাবা ভবিষ্যতে বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে না দেয়ার একটি লিখিত অঙ্গীকার নামা দেন।

এসিল্যান্ড আরও জানান, ভবিষ্যতে ওই ছাত্রীকে কেউ উত্ত্যক্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বখাটের উৎপাতে স্কুলছাত্রীকে বাল্যবিয়ে, রক্ষা করলেন এসিল্যান্ড

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৭:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা ভূমি সহকারী কমিশনারের (এসিল্যান্ড) হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ হয়েছে। তবে ছাত্রীর পরিবারের দাবি, ইভটিজিং থেকে রক্ষা পেতে তাকে বিয়ে দেয়া হচ্ছিল। 

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর দৌলতদিয়া সোনা উল্লাহ ফকীর পাড়ায় ছাত্রীর বাড়িতে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়। 

জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের গোপালবাড়ী গ্রামের এর রবিউল ইসলামের ছেলের সঙ্গে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ওই স্কুল ছাত্রীর বিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছিল। সে স্থানীয় দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুলের শিক্ষার্থী। 

এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় কিছু বখাটে ছেলে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সে জন্য মান ইজ্জতের ভয়ে এবং মেয়েকে রক্ষা করতে তারা এ বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এসিল্যান্ড স্যার সাহস দেয়ায় এখন তারা ভরসা পাচ্ছেন। 

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বাল্যবিয়ের গোপন সংবাদ পেয়ে আমি কনের বাড়িতে উপস্থিত হই। আমি ছাত্রীর অভিভাবকদের বাল্যবিয়ের কুফল এ আইনগত অপরাধের বিষয়ে তারা বিয়ে বন্ধ করতে রাজি হন। সেইসাথে কনের বাবা ভবিষ্যতে বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে না দেয়ার একটি লিখিত অঙ্গীকার নামা দেন।

এসিল্যান্ড আরও জানান, ভবিষ্যতে ওই ছাত্রীকে কেউ উত্ত্যক্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন