আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ১০
jugantor
আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ১০

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

১৫ এপ্রিল ২০২১, ১৯:০৪:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা গ্রুপের সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কাদের মির্জার ছেলেসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেও জানা গেছে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন- মেয়র কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা, কাদের মির্জা ভাগিনা মিরাজ, ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন, ফয়সাল আহমেদ জিসান, হিমেল, সানি, জয়, ইমন, আওয়ামী লীগের আরমান চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ২০-২৫ জন সমর্থক মেয়র মির্জা বিরোধী শ্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে বসুরহাট পৌরসভা শহীদ মিনার গেইট দিয়ে পৌরসভায় ঢোকার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা উপজেলা গেইটে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়র মির্জার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে মির্জার অনুসারীরা থানার সামনে গেলে উভয়পক্ষের সমর্থকরা একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ইটের আঘাতে তাশিক মির্জা ও আরমান চৌধুরীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হয়।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ১০

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা গ্রুপের সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কাদের মির্জার ছেলেসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেও জানা গেছে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন- মেয়র কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা, কাদের মির্জা ভাগিনা মিরাজ, ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন, ফয়সাল আহমেদ জিসান, হিমেল, সানি, জয়, ইমন, আওয়ামী লীগের আরমান চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ২০-২৫ জন সমর্থক মেয়র মির্জা বিরোধী শ্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে বসুরহাট পৌরসভা শহীদ মিনার গেইট দিয়ে পৌরসভায় ঢোকার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা উপজেলা গেইটে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়র মির্জার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে মির্জার অনুসারীরা থানার সামনে গেলে উভয়পক্ষের সমর্থকরা একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ইটের আঘাতে তাশিক মির্জা ও আরমান চৌধুরীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হয়।   

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন