‘কঠোর’ লকডাউনে ইউএনওর নৈশভোজের আয়োজন
jugantor
‘কঠোর’ লকডাউনে ইউএনওর নৈশভোজের আয়োজন

  হাতিয়া প্রতিনিধি   

১৫ এপ্রিল ২০২১, ২১:০৬:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউএনও

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ও প্রথম রমজানে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন নোয়াখালীর হাতিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন।

বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে এ পার্টির আয়োজন করেন তিনি। সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ প্রায় শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন এই নৈশভোজে।

এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার নাজিম উদ্দিন।করোনার এ সময়ে এই ধরনের পার্টি করে মানুষের সমাগম করা একজন দায়িত্বশীল ব্যাক্তির সমীচীন হয়েছে কিনা- প্রশ্ন করলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার নাজিম উদ্দিন জানান, আমি প্রথমে মনে করেছি মানুষের উপস্থিতি কম হবে, পরে গিয়ে দেখি অনেক লোকের উপস্থিতি। পরিবেশ দেখে চলে আসার ইচ্ছা থাকলেও সামাজিকতার কারণে আসতে পারিনি।

শিক্ষা কর্মকর্তা ভবরঞ্জন দাস বলেন, এটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একান্ত নিজস্ব পার্টি। প্রথমে এ আয়োজনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে করার কথা ছিল। কিন্তু বাসায় জায়গা সংকুলন না হওয়ায় অফিসার্স ক্লাবে করা হয়েছে।

লকাডাউন অমান্য করে রাস্তায় বের হলেই মানুষকে দিতে হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা। অথচ এসব নিয়মের তোয়াক্কা না করে স্বয়ং উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আয়োজন করেন শতাধিক লোকের ইফতার পার্টি ও নৈশভোজের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন এ ব্যাপারে বলেন, এটি কোনো বড় ধরনের আয়োজন ছিল না। সাদামাটা একটা ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয় মাত্র। এখানে খুব বেশি লোকের সমাগম ছিল না।

‘কঠোর’ লকডাউনে ইউএনওর নৈশভোজের আয়োজন

 হাতিয়া প্রতিনিধি  
১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইউএনও
ইউএনও। ছবি: সংগৃহীত

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ও প্রথম রমজানে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন নোয়াখালীর হাতিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন। 

বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে এ পার্টির আয়োজন করেন তিনি। সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ প্রায় শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন এই নৈশভোজে।

এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার নাজিম উদ্দিন।করোনার এ সময়ে এই ধরনের পার্টি করে মানুষের সমাগম করা একজন দায়িত্বশীল ব্যাক্তির সমীচীন হয়েছে কিনা- প্রশ্ন করলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার নাজিম উদ্দিন জানান, আমি প্রথমে মনে করেছি মানুষের উপস্থিতি কম হবে, পরে গিয়ে দেখি অনেক লোকের উপস্থিতি। পরিবেশ দেখে চলে আসার ইচ্ছা থাকলেও সামাজিকতার কারণে আসতে পারিনি।

শিক্ষা কর্মকর্তা ভবরঞ্জন দাস বলেন, এটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একান্ত নিজস্ব পার্টি। প্রথমে এ আয়োজনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে করার কথা ছিল। কিন্তু বাসায় জায়গা সংকুলন না হওয়ায় অফিসার্স ক্লাবে করা হয়েছে।

লকাডাউন অমান্য করে রাস্তায় বের হলেই মানুষকে দিতে হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা। অথচ এসব নিয়মের তোয়াক্কা না করে স্বয়ং উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আয়োজন করেন শতাধিক লোকের ইফতার পার্টি ও নৈশভোজের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন এ ব্যাপারে বলেন, এটি কোনো বড় ধরনের আয়োজন ছিল না। সাদামাটা একটা ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয় মাত্র। এখানে খুব বেশি লোকের সমাগম ছিল না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন