আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে ‘হাটুরে সেলুন’
jugantor
আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে ‘হাটুরে সেলুন’

  জিসান আহমেদ নান্নু, কচুয়া (চাঁদপুর)  

১৫ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩৩:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের কচুয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে হাট-বাজারে পিঁড়িতে বসা ‘হাটুরে' সেলুন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এসব সেলুন। আর কাজ না পেয়ে এখানকার নরসুন্দরদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। এ অবস্থায় সরকারের আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছে তারা।

আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গতিধারায় এসেছে পরিবর্তন। লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। তাই আজ হাটে-বাজারে বটবৃক্ষের ছায়ায় খেয়াখাটে, ফুটপাতে কিংবা গ্রামগঞ্জের জল চৌকিতে বা ইটের উপরে সাজানো পিঁড়িতে বসে নাপিতের কাছে গ্রামবাংলার মানুষের চুল দাঁড়ি কাটার সেই আদি দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। তবে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে এখনো কিছুটা দেখা মেলে এ দৃশ্যের।

তবে প্রতিনিয়ত মানুষকে সুন্দর করার কাজ করে যাচ্ছেন এসব নরসুন্দর বা নাপিতরা। অনেকেই বহু বছর ধরে করছেন এ কাজ। সে সময়ে তাদের এ আয় দিয়ে সংসার ভালোভাবে চললেও বর্তমানে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নরসুন্দরদের।

পালাখাল বাজার, সাচার বাজার ও নন্দনপুর বাজারের স্থানীয় নাপিতরা জানান, বহু বছর ধরে এ পেশায় কাজ করছি। প্রায় ৩০-৪০ বছর ধরে পিঁড়িতে বসিয়ে মানুষদের এভাবে নাপিতের কাজ করেছি। কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার কারণে আমরা এখন কোনো কাজ করতে পারছি না। আমাদের কাছে এখন তেমন একটা মানুষ আসতে চায় না। তাই সরকারের সহায়তা কামনা করছি।

এদিকে স্বচ্ছ জীবনযাপন করতে ও আক্ষেপ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন নাপিতরা।

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে ‘হাটুরে সেলুন’

 জিসান আহমেদ নান্নু, কচুয়া (চাঁদপুর) 
১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের কচুয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে হাট-বাজারে পিঁড়িতে বসা ‘হাটুরে' সেলুন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এসব সেলুন। আর কাজ না পেয়ে এখানকার নরসুন্দরদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। এ অবস্থায় সরকারের আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছে তারা।

আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গতিধারায় এসেছে পরিবর্তন। লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। তাই আজ হাটে-বাজারে বটবৃক্ষের ছায়ায় খেয়াখাটে, ফুটপাতে কিংবা গ্রামগঞ্জের জল চৌকিতে বা ইটের উপরে সাজানো পিঁড়িতে বসে নাপিতের কাছে গ্রামবাংলার মানুষের চুল দাঁড়ি কাটার সেই আদি দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। তবে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে এখনো কিছুটা দেখা মেলে এ দৃশ্যের।

তবে প্রতিনিয়ত মানুষকে সুন্দর করার কাজ করে যাচ্ছেন এসব নরসুন্দর বা নাপিতরা। অনেকেই বহু বছর ধরে করছেন এ কাজ। সে সময়ে তাদের এ আয় দিয়ে সংসার ভালোভাবে চললেও বর্তমানে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নরসুন্দরদের।

পালাখাল বাজার, সাচার বাজার ও নন্দনপুর বাজারের স্থানীয় নাপিতরা জানান, বহু বছর ধরে এ পেশায় কাজ করছি। প্রায় ৩০-৪০ বছর ধরে পিঁড়িতে বসিয়ে মানুষদের এভাবে নাপিতের কাজ করেছি। কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার কারণে আমরা এখন কোনো কাজ করতে পারছি না। আমাদের কাছে এখন তেমন একটা মানুষ আসতে চায় না। তাই সরকারের সহায়তা কামনা করছি।

এদিকে স্বচ্ছ জীবনযাপন করতে ও আক্ষেপ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন নাপিতরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন