বসুরহাটের সাবেক কাউন্সিলরসহ দুইজন আটক
jugantor
বসুরহাটের সাবেক কাউন্সিলরসহ দুইজন আটক

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

১৬ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩৩:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে অভিযান চালিয়ে বসুরহাট পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুল ইসলাম শিমুল ও ফারুক ইসলাম লাভলু নামের দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

আটককৃতরা হচ্ছেন- বসুরহাট পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের নূর নবী চৌধুরীর ছেলে সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুল ইসলাম শিমুল ও ৮নং ওয়ার্ডের আবদুর রহমানের ছেলে ফারুক ইসলাম লাভলু।

শুক্রবার দুপুরে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি। তাদের শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে ‘শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বায়তুল মোকাররম মসজিদ বোমা মেরে উড়িয়ে দিলে দেশে দুর্নীতিবাজের সংখ্যা কমে যাবে’ বলে একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। তবে নিজের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে দাবি করে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাদের মির্জা বলেন একটি কুচক্রীমহল আইডি হ্যাক করে এ কাজ করেছে।

এর জের ধরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ২০-২৫ জন সমর্থক মির্জাবিরোধী স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে বসুরহাট পৌরসভায় ঢুকার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দিলে তারা উপজেলা গেটে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়র মির্জার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে মির্জার অনুসারীরা থানার সামনে গেলে উভয়পক্ষের সমর্থকরা একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ইটের আঘাতে তাশিক মির্জা ও আরমান চৌধুরীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেও জানা গেছে।

এ ঘটনার জেরে রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল যুবক বাসস্ট্যান্ডে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা স্ট্যান্ডে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আকরাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজের তিনটি ড্রিমলাইন বাস ও কার্যালয় ভাংচুর করে।

বসুরহাটের সাবেক কাউন্সিলরসহ দুইজন আটক

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
১৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে অভিযান চালিয়ে বসুরহাট পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুল ইসলাম শিমুল ও ফারুক ইসলাম লাভলু নামের দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

আটককৃতরা হচ্ছেন- বসুরহাট পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের নূর নবী চৌধুরীর ছেলে সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুল ইসলাম শিমুল ও ৮নং ওয়ার্ডের আবদুর রহমানের ছেলে ফারুক ইসলাম লাভলু।  

শুক্রবার দুপুরে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি। তাদের শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে ‘শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বায়তুল মোকাররম মসজিদ বোমা মেরে উড়িয়ে দিলে দেশে দুর্নীতিবাজের সংখ্যা কমে যাবে’ বলে একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। তবে নিজের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে দাবি করে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাদের মির্জা বলেন একটি কুচক্রীমহল আইডি হ্যাক করে এ কাজ করেছে।

এর জের ধরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ২০-২৫ জন সমর্থক মির্জাবিরোধী স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে বসুরহাট পৌরসভায় ঢুকার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দিলে তারা উপজেলা গেটে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়র মির্জার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে মির্জার অনুসারীরা থানার সামনে গেলে উভয়পক্ষের সমর্থকরা একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ইটের আঘাতে তাশিক মির্জা ও আরমান চৌধুরীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেও জানা গেছে।

এ ঘটনার জেরে রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল যুবক বাসস্ট্যান্ডে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা স্ট্যান্ডে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আকরাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজের তিনটি ড্রিমলাইন বাস ও কার্যালয় ভাংচুর করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন