মা-বাবাকে কোপাল প্রবাস ফেরত ছেলে
jugantor
মা-বাবাকে কোপাল প্রবাস ফেরত ছেলে

  বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৬ এপ্রিল ২০২১, ২৩:০৬:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে হত্যার উদ্দেশ্যে মা-বাবাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করছে এক প্রবাস ফেরত ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় পৌরসভার নিজ বাড়ি উপজেলার উত্তর জলদী লস্করপাড়ায় প্রবাস ফেরত এনায়েত উল্লাহ মা-বাবাকে পিটিয়ে জখম করে।

এ ঘটনায় পুলিশ হামলাকারী ছেলে এনায়েত উল্লাহকে (৪০) উপজেলা সদর থেকে গ্রেফতার করেছে। হামলায় আহত মা-বাবা বর্তমানে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন- বাবা মো. আবুল কাশেম (৮০) এবং মা ছলিমা খাতুন (৫৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আবুল কাশেমের ৪ ছেলে ও ৬ মেয়ে। বড় ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। মেজো ছেলে সৌদি প্রবাস ফেরত এনায়েত উল্লাহ অর্থশালী হওয়ায় আলাদাভাবে পাকা দালান করে বসবাস করছেন। অপর দুই ছেলে মো. মহসীন ও মো. এমদাদ মা-বাবার ভরণপোষণ করেন। এর মধ্যে তিন ভাইয়ের মধ্যে নানা কারণে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।

মেজো ছেলে অর্থশালী হওয়ায় তার দায়ের করা মামলা মোকদ্দমার চাপে অন্য দুই ছেলে পুলিশের ভয়ে এখন বাড়ি ছাড়া।
এ নিয়ে মেজো ছেলে এনায়েত উল্লাহর সঙ্গে মা-বাবার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে এনায়েত উল্লাহ তার মা ছলিমা খাতুনকে দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এরপর লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে বাবাকে পঙ্গু করে দিয়েছে।

এ ঘটনায় আহত বাবা মো. আবুল কাশেম বাদী হয়ে ছেলে এবং ছেলের স্ত্রী রুমা আক্তারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে আবুল কাশেম বলেন, অর্থশালী ছেলে এনায়েত উল্লাহ আমাদের ভরণপোষণ করে না। অন্য দুই ছেলে ভরণপোষণ করে। সম্প্রতি তাদের বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার আসামি করে এনায়েত উল্লাহ বাড়ি ছাড়া করেছে। এর কারণ জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে নিজ ছেলের হাতে পিটুনি খেয়ে আমি পঙ্গু হয়ে গেলাম। আমার স্ত্রী ছলিমা খাতুনের মাথায় গুরুতর জখম হয়ে গেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি।

বাঁশখালী থানার ওসি মো. সফিউল কবীর বলেন, মা-বাবাকে পেটানোর ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছেলে এনায়েত উল্লাহকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মা-বাবাকে কোপাল প্রবাস ফেরত ছেলে

 বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে হত্যার উদ্দেশ্যে মা-বাবাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করছে এক প্রবাস ফেরত ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় পৌরসভার নিজ বাড়ি উপজেলার উত্তর জলদী লস্করপাড়ায় প্রবাস ফেরত এনায়েত উল্লাহ মা-বাবাকে পিটিয়ে জখম করে।

এ ঘটনায় পুলিশ হামলাকারী ছেলে এনায়েত উল্লাহকে (৪০) উপজেলা সদর থেকে গ্রেফতার করেছে। হামলায় আহত মা-বাবা বর্তমানে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন- বাবা মো. আবুল কাশেম (৮০) এবং মা ছলিমা খাতুন (৫৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আবুল কাশেমের ৪ ছেলে ও ৬ মেয়ে। বড় ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। মেজো ছেলে সৌদি প্রবাস ফেরত এনায়েত উল্লাহ অর্থশালী হওয়ায় আলাদাভাবে পাকা দালান করে বসবাস করছেন। অপর দুই ছেলে মো. মহসীন ও মো. এমদাদ মা-বাবার ভরণপোষণ করেন। এর মধ্যে তিন ভাইয়ের মধ্যে নানা কারণে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।

মেজো ছেলে অর্থশালী হওয়ায় তার দায়ের করা মামলা মোকদ্দমার চাপে অন্য দুই ছেলে পুলিশের ভয়ে এখন বাড়ি ছাড়া।
এ নিয়ে মেজো ছেলে এনায়েত উল্লাহর সঙ্গে মা-বাবার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে এনায়েত উল্লাহ তার মা ছলিমা খাতুনকে দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এরপর লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে বাবাকে পঙ্গু করে দিয়েছে।

এ ঘটনায় আহত বাবা মো. আবুল কাশেম বাদী হয়ে ছেলে এবং ছেলের স্ত্রী রুমা আক্তারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে আবুল কাশেম বলেন, অর্থশালী ছেলে এনায়েত উল্লাহ আমাদের ভরণপোষণ করে না। অন্য দুই ছেলে ভরণপোষণ করে। সম্প্রতি তাদের বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার আসামি করে এনায়েত উল্লাহ বাড়ি ছাড়া করেছে। এর কারণ জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে নিজ ছেলের হাতে পিটুনি খেয়ে আমি পঙ্গু হয়ে গেলাম। আমার স্ত্রী ছলিমা খাতুনের মাথায় গুরুতর জখম হয়ে গেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি।

বাঁশখালী থানার ওসি মো. সফিউল কবীর বলেন, মা-বাবাকে পেটানোর ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছেলে এনায়েত উল্লাহকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন