বাইরে তালা, ভেতরে কেনাবেঁচা
jugantor
বাইরে তালা, ভেতরে কেনাবেঁচা

  অমিত রায়, ময়মনসিংহ ব্যুরো  

১৭ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৫৭:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কেনাকাটা শেষে ফিরছেন তারা

লকডাউনে ময়মনসিংহ নগরীর সব শপিংমল ও বিপণিবিতান বন্ধ থাকলেও ভিন্নচিত্র নগরীর প্রাণকেন্দ্র সি কে ঘোষ রোড, রামবাবু রোড, স্বদেশী বাজার, ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড, স্টেশন রোড, নতুনবাজার ও চরপাড়া এলাকার বেশ কিছু দোকানের।

এসব এলাকার বেশিরভাগ দোকানে তালা ঝুলিয়ে মালিক-কর্মচারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকছেন, এরপর চোখের ইশারায় ক্রেতা বুঝে ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বিক্রি শেষে আবার কলাপসিবলে তালা ঝুলাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দেদার চলছে ইলেকট্রনিক্স, হার্ডওয়ার সামগ্রী, মোবাইল, বইখাতাসহ ফটোস্ট্যাটের কাজ।

লকডাউনের প্রথম দুই দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্ট কঠোর হলেও নগরীর সব রাস্তায় এখন একদিকে যেমন রিকশা-অটো, মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত অসংখ্য গাড়ি; অন্যদিকে মানুষের ঘুরাফেরা। ঢিলেঢালা লকডাউন পরিস্থিতির কারণে মানুষ তুচ্ছ অজুহাতে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরেজমিন নগরীর স্বদেশী বাজার, সি কে ঘোষ রোড, রামবাবু রোড, ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড ও স্টেশন রোড ঘুরে দেখা যায়- দোকানের একটি শাটার খোলা, ভিতরে ক্রেতা।

কোথাও কলাপসিবলে তালা, অর্ধশাটারের ভিতরে উপচেপড়া ক্রেতা। আবার কোথাও ক্রেতা ভিতরে ঢুকিয়ে শাটার এবং কলাপসিবলে তালা ঝুলিয়ে মালিক বা কর্মচারী বাইরে দাঁড়িয়ে থাকছেন। বিক্রি সম্পন্ন করে মিসকল অথবা ভিতর থেকে শাটারে শব্দ শুনলেই তালা খুলে দিচ্ছেন বাইরে অপেক্ষমাণ কর্মচারী। বেরিয়ে আসছেন ক্রেতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িবহর দেখলেই সাধু সাবধান। এমন ব্যবসা যেন নগরীতে এখন ওপেন সিক্রেট।

এদিকে এবারের লকডাউনে নগরীর অধিকাংশ চায়ের দোকান বন্ধ থাকলেও পাড়া-মহল্লা, অলিগলি ও সড়কগুলোতে ওঠতি বয়সী ছেলেদের আড্ডা বা অহেতুক ঘুরাফেরা কমেনি। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িবহর দেখলেই কিছুটা আড়ালে চলে যাচ্ছে। এরপর গাড়ি চলে গেলেই আবারো রাস্তায় বা অলস আড্ডা বা ঘোরাঘুরি।

খাগডহর ও মাসকান্দা থেকে আসা তিনজন ক্রেতা জানান, রামবাবু রোড, সি কে ঘোষ রোড ও স্বদেশী বাজার এলাকার কয়েকটি দোকান ঘুরে ক্রোকারিজ সামগ্রী, ফ্যান ও মোবাইল সেট কিনেছেন। দাম একটু বেশি নিলেও দোকান খোলা পাওয়ায় খুশি তারা।

তারা জানায়, এসব দোকানের শাটার বন্ধ ছিল। বাইরে অপেক্ষমাণ মালিক-কর্মচারীরা তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে আবার তালা ঝুলিয়ে দেন।

তারা আরো জানান, দোকানের ভিতরে আরো ক্রেতা ছিল। মালামাল কিনে ভিতর থেকে টুকা দিতেই শাটার খুলে দেন এবং তারা বেরিয়ে আসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন দোকান মালিক জানান, লকডাউনে তাদের ভালো ব্যবসা হচ্ছে। ক্রেতারা দামদর বেশি করতে না পারায় তাদের লাভও বেশি হচ্ছে। মানুষ একদামে জিনিসপত্র কিনছেন।

বাইরে তালা, ভেতরে কেনাবেঁচা

 অমিত রায়, ময়মনসিংহ ব্যুরো 
১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কেনাকাটা শেষে ফিরছেন তারা
কেনাকাটা শেষে ফিরছেন তারা। ছবি: যুগান্তর

লকডাউনে ময়মনসিংহ নগরীর সব শপিংমল ও বিপণিবিতান বন্ধ থাকলেও ভিন্নচিত্র নগরীর প্রাণকেন্দ্র সি কে ঘোষ রোড, রামবাবু রোড, স্বদেশী বাজার, ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড, স্টেশন রোড, নতুনবাজার ও চরপাড়া এলাকার বেশ কিছু দোকানের। 

এসব এলাকার বেশিরভাগ দোকানে তালা ঝুলিয়ে মালিক-কর্মচারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকছেন, এরপর চোখের ইশারায় ক্রেতা বুঝে ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বিক্রি শেষে আবার কলাপসিবলে তালা ঝুলাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দেদার চলছে ইলেকট্রনিক্স, হার্ডওয়ার সামগ্রী, মোবাইল, বইখাতাসহ ফটোস্ট্যাটের কাজ। 

লকডাউনের প্রথম দুই দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্ট কঠোর হলেও নগরীর সব রাস্তায় এখন একদিকে যেমন রিকশা-অটো, মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত অসংখ্য গাড়ি; অন্যদিকে মানুষের ঘুরাফেরা। ঢিলেঢালা লকডাউন পরিস্থিতির কারণে মানুষ তুচ্ছ অজুহাতে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসছে। 

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরেজমিন নগরীর স্বদেশী বাজার, সি কে ঘোষ রোড, রামবাবু রোড, ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড ও স্টেশন রোড ঘুরে দেখা যায়- দোকানের একটি শাটার খোলা, ভিতরে ক্রেতা।