প্রতিবেশীর ঘরে অনৈতিক কাজ, পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে গাছে বেঁধে জুতার মালা
jugantor
প্রতিবেশীর ঘরে অনৈতিক কাজ, পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে গাছে বেঁধে জুতার মালা

  ধামরাই (ঢাকা)প্রতিনিধি  

১৮ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৫৬:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে এক পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পালাক্রমে প্রহার করেছেন এলাকাবাসী। শুধু তাই নয়, তাদের নাকে-মুখে চুনকালি মেখে ও গলায় জুতার মালা পরিধান করে পুরো গ্রাম প্রদক্ষিণ করা হয়।

প্রতিবেশীর ঘরে অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় জনতার হাতে আটক হলে ওই পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে এভাবেই শাস্তি প্রদান করা হয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। শনিবার এ ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার সদর ইউনিয়নে।

এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর শাশুড়ি বাদী হয়ে ওই পরকীয়া প্রেমিক যুগলের নামে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়েছেন এসআই নুর মোহাম্মদ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, নীলফামারী জেলা সদরের যাদুরহাটের দক্ষিণপাড়া মহল্লার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম (৪০) বর্তমানে রাজধানীর উত্তরা ৭নং সেক্টরের ১৮নং রোডের একটি বাড়িতে বসবাস করে। পরকীয়ার সূত্র ধরে ঢাকার ধামরাই সদর ইউনিয়নে ওই গৃহবধূর সঙ্গে গোপন অভিসারে মিলিত হয় সে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিবেশীর ঘরের ভেতর অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ওই প্রেমিক যুগলকে আটক করে। তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দেয়া হয়। এরপর তাদের নাকে-মুখে চুনকালির মেখে ও গলায় ছেঁড়া জুতার মালা পরিয়ে করে গ্রাম ঘুরিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় ওই প্রেমিক যুগলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ বলেন, ওই পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে শনিবার দুপুরে গ্রেফতার করি। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই গৃহবধূর শাশুড়ি বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

প্রতিবেশীর ঘরে অনৈতিক কাজ, পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে গাছে বেঁধে জুতার মালা

 ধামরাই (ঢাকা)প্রতিনিধি 
১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে এক পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পালাক্রমে প্রহার করেছেন এলাকাবাসী। শুধু তাই নয়, তাদের নাকে-মুখে চুনকালি মেখে ও গলায় জুতার মালা পরিধান করে পুরো গ্রাম প্রদক্ষিণ করা হয়।

প্রতিবেশীর ঘরে অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় জনতার হাতে আটক হলে ওই পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে এভাবেই শাস্তি প্রদান করা হয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। শনিবার এ ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার সদর ইউনিয়নে।

এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর শাশুড়ি বাদী হয়ে ওই পরকীয়া প্রেমিক যুগলের নামে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়েছেন এসআই নুর মোহাম্মদ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, নীলফামারী জেলা সদরের যাদুরহাটের দক্ষিণপাড়া মহল্লার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম (৪০) বর্তমানে রাজধানীর উত্তরা ৭নং সেক্টরের ১৮নং রোডের একটি বাড়িতে বসবাস করে। পরকীয়ার সূত্র ধরে ঢাকার ধামরাই সদর ইউনিয়নে ওই গৃহবধূর সঙ্গে গোপন অভিসারে মিলিত হয় সে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিবেশীর ঘরের ভেতর অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ওই প্রেমিক যুগলকে আটক করে। তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দেয়া হয়। এরপর তাদের নাকে-মুখে চুনকালির মেখে ও গলায় ছেঁড়া জুতার মালা পরিয়ে করে গ্রাম ঘুরিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় ওই প্রেমিক যুগলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুর মোহাম্মদ বলেন, ওই পরকীয়া প্রেমিক যুগলকে শনিবার দুপুরে গ্রেফতার করি। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই গৃহবধূর শাশুড়ি বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন