পরকীয়ার জেরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে প্রেমিকের মৃত্যু
jugantor
পরকীয়ার জেরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে প্রেমিকের মৃত্যু

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

১৮ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৫৪:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পরকীয়া সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় গৃহবধূ নাছরিন আক্তার মৌসুমিকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত লোকজনের গণপিটুনিতে কথিত প্রেমিক মো. রাসেলেরও মৃত্যু হয়।

রোববার সকালে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের জাফরনগর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলে নাঈমুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়। সে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহত নাছরিন ওই বাড়ির প্রবাসী সফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও রাসেল একই এলাকার বলি মোল্লা বাড়ির ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রাসেলের সঙ্গে নাছরিনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। এতে রাসেলের মোবাইলে নাছরিনের কিছু ব্যক্তিগত ছবি ছিল। কয়েক মাস আগে রাসেল তার ব্যবহৃত মোবাইলটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। ওই মোবাইলে থাকা নাছরিনের ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে নাছরিনের সঙ্গে রাসেলের বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নাছরিনকে রাসেল হত্যা করতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

নাছরিনের মেয়ে উম্মে হাবিবা সিনথিয়া বলেন, রাসেল তার মাকে ফোন করে প্রায়ই বিরক্ত করত। আমাদের নতুন বাড়িতে একটি চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় রাসেলকে অভিযুক্ত করা হয়। এ নিয়ে আমার মায়ের সঙ্গে সে খারাপ ব্যবহার করত। চুরির ঘটনা নিয়েই বসতঘরে ঢুকে রাসেল মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দেয়।

রামগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কার্তিক চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে।

পরকীয়ার জেরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে প্রেমিকের মৃত্যু

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পরকীয়া সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় গৃহবধূ নাছরিন আক্তার মৌসুমিকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত লোকজনের গণপিটুনিতে কথিত প্রেমিক মো. রাসেলেরও মৃত্যু হয়। 

রোববার সকালে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের জাফরনগর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলে নাঈমুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়। সে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

নিহত নাছরিন ওই বাড়ির প্রবাসী সফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও রাসেল একই এলাকার বলি মোল্লা বাড়ির ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। 

স্থানীয়রা জানান, রাসেলের সঙ্গে নাছরিনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। এতে রাসেলের মোবাইলে নাছরিনের কিছু ব্যক্তিগত ছবি ছিল। কয়েক মাস আগে রাসেল তার ব্যবহৃত মোবাইলটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। ওই মোবাইলে থাকা নাছরিনের ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

এ নিয়ে নাছরিনের সঙ্গে রাসেলের বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নাছরিনকে রাসেল হত্যা করতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

নাছরিনের মেয়ে উম্মে হাবিবা সিনথিয়া বলেন, রাসেল তার মাকে ফোন করে প্রায়ই বিরক্ত করত। আমাদের নতুন বাড়িতে একটি চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় রাসেলকে অভিযুক্ত করা হয়। এ নিয়ে আমার মায়ের সঙ্গে সে খারাপ ব্যবহার করত। চুরির ঘটনা নিয়েই বসতঘরে ঢুকে রাসেল মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দেয়। 

রামগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কার্তিক চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন