হাসপাতালের অস্থায়ী প্যান্ডেলেও জায়গা হচ্ছে না ডায়রিয়া রোগীর 
jugantor
হাসপাতালের অস্থায়ী প্যান্ডেলেও জায়গা হচ্ছে না ডায়রিয়া রোগীর 

  বরিশাল ব্যুরো  

২০ এপ্রিল ২০২১, ০১:২২:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। চাপ সামলাতে হাসপাতাল কম্পাউন্ডে অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরি হলেও তাতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। ফলে প্যান্ডেলের মেঝেতেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

বাড়তি এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক ও সেবিকারা। পর্যাপ্ত আইভি স্যালাইন না থাকায় ৯২ টাকা মূল্যের স্যালাইন ব্যাগ ১২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের।

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল জানান, মহিলা ও পুরুষ মিলে মাত্র ৪ শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সামনে প্যান্ডেল করে ২৪টি বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সোমবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৯৬ জন রোগী ছিল। দুপুরে সুস্থ হওয়া রোগীদের ছেড়ে দেওয়ার পর এর সংখ্যা ৬০ জনে দাঁড়ায়। তবে আরও রোগী প্রতিনিয়ত ভর্তি হচ্ছে। রোগী হাসপাতালে ভর্তির পরপরই সরকারি স্যালাইন দেওয়া হয়।

অনেক রোগীর বেশি সংখ্যক স্যালাইন প্রয়োজন হলে তা দেওয়া সম্ভব হয় না। স্যালাইনের সংকট না থাকলেও রোগী বেড়ে যাওয়ায় তা আনুপাতিক হারে দেওয়া হচ্ছে। তবে দরিদ্রদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় স্যালাইন প্রদান করা হয়।

হাসপাতালের অস্থায়ী প্যান্ডেলেও জায়গা হচ্ছে না ডায়রিয়া রোগীর 

 বরিশাল ব্যুরো 
২০ এপ্রিল ২০২১, ০১:২২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। চাপ সামলাতে হাসপাতাল কম্পাউন্ডে অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরি হলেও তাতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। ফলে প্যান্ডেলের মেঝেতেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। 

বাড়তি এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক ও সেবিকারা। পর্যাপ্ত আইভি স্যালাইন না থাকায় ৯২ টাকা মূল্যের স্যালাইন ব্যাগ ১২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের।

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল জানান, মহিলা ও পুরুষ মিলে মাত্র ৪ শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সামনে প্যান্ডেল করে ২৪টি বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

সোমবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৯৬ জন রোগী ছিল। দুপুরে সুস্থ হওয়া রোগীদের ছেড়ে দেওয়ার পর এর সংখ্যা ৬০ জনে দাঁড়ায়। তবে আরও রোগী প্রতিনিয়ত ভর্তি হচ্ছে। রোগী হাসপাতালে ভর্তির পরপরই সরকারি স্যালাইন দেওয়া হয়। 

অনেক রোগীর বেশি সংখ্যক স্যালাইন প্রয়োজন হলে তা দেওয়া সম্ভব হয় না। স্যালাইনের সংকট না থাকলেও রোগী বেড়ে যাওয়ায় তা আনুপাতিক হারে দেওয়া হচ্ছে। তবে দরিদ্রদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় স্যালাইন প্রদান করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন