চরে অজ্ঞাত রোগে মারা গেল ৪০ মহিষ
jugantor
চরে অজ্ঞাত রোগে মারা গেল ৪০ মহিষ

  চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি  

২০ এপ্রিল ২০২১, ১৮:০৯:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নে চর ইসলাম, চর ফারুকীসহ বিভিন্ন চরে অজ্ঞাত রোগে ৪০টি মহিষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও আক্রান্ত আছে প্রায় অর্ধশতাধিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ চরে প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার গবাদিপশু রয়েছে।

পশু চিকিৎসক সাঈদ সিকদার জানান, সন্দি, পেট ফুলা, মুখ দিয়ে লালাপড়া ও খাবারে অনীহা দেখা দেওয়ায় ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৪০টি মহিষ মারা গেছে।

যাদের মহিষ মারা গেছে তারা হলেন- চরমানিকা ইউনিয়নের দক্ষিণ আইচা ৫নং ওয়ার্ডের বারেক হাওলাদারের ১টি, চরমানিকা ৩নং ওয়ার্ডের বাবুল হাওলাদারের ৬টি, মিনাল রায়ের ৮টি, রবি হাজারীর ৩টি, তপন বিশ্বাসের ৪টি, আলমের ৪টি, কাঞ্চন মাতাব্বরের ৪টি, মুনসুর মুন্সির ৮টি, দক্ষিণ চর আইচা ৬নং ওয়ার্ডের বাশু সর্দারের ৩টিসহ মোট ৪০টি মহিষ অজ্ঞাত রোগে মারা গেছে।

এরা নদী সিকস্তি পরিবার। মনপুরা ও তজুমদ্দিন এবং চরফ্যাশনের মূল ভূখণ্ড থেকে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে নতুন করে বাঁচার জন্য এরা এ চরে আশ্রয় নিয়েছেন। এ আকস্মিক দুর্যোগে তাদের স্বপ্নকে বিলীন করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আতিকুর রহমান বলেন, মহিষ মারা যাওয়ার কারণ এখনও আমরা শনাক্ত করতে পারেনি, তবে আমাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে।

চরে অজ্ঞাত রোগে মারা গেল ৪০ মহিষ

 চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি 
২০ এপ্রিল ২০২১, ০৬:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নে চর ইসলাম, চর ফারুকীসহ বিভিন্ন চরে অজ্ঞাত রোগে ৪০টি মহিষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও আক্রান্ত আছে প্রায় অর্ধশতাধিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ চরে প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার গবাদিপশু রয়েছে।

পশু চিকিৎসক সাঈদ সিকদার জানান, সন্দি, পেট ফুলা, মুখ দিয়ে লালাপড়া ও খাবারে অনীহা দেখা দেওয়ায় ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৪০টি মহিষ মারা গেছে।

যাদের মহিষ মারা গেছে তারা হলেন- চরমানিকা ইউনিয়নের দক্ষিণ আইচা ৫নং ওয়ার্ডের বারেক হাওলাদারের ১টি, চরমানিকা ৩নং ওয়ার্ডের বাবুল হাওলাদারের ৬টি, মিনাল রায়ের ৮টি, রবি হাজারীর ৩টি, তপন বিশ্বাসের ৪টি, আলমের ৪টি, কাঞ্চন মাতাব্বরের ৪টি, মুনসুর মুন্সির ৮টি, দক্ষিণ চর আইচা ৬নং ওয়ার্ডের বাশু সর্দারের ৩টিসহ মোট ৪০টি মহিষ অজ্ঞাত রোগে মারা গেছে।

এরা নদী সিকস্তি পরিবার। মনপুরা ও তজুমদ্দিন এবং চরফ্যাশনের মূল ভূখণ্ড থেকে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে নতুন করে বাঁচার জন্য এরা এ চরে আশ্রয় নিয়েছেন। এ আকস্মিক দুর্যোগে তাদের স্বপ্নকে বিলীন করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আতিকুর রহমান বলেন, মহিষ মারা যাওয়ার কারণ এখনও আমরা শনাক্ত করতে পারেনি, তবে আমাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন