আশ্রয়ের কথা বলে গার্মেন্ট শ্রমিককে গণধর্ষণ
jugantor
আশ্রয়ের কথা বলে গার্মেন্ট শ্রমিককে গণধর্ষণ

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

২০ এপ্রিল ২০২১, ১৮:২৬:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের আমতলা এলাকায় আশ্রয়ের কথা বলে এক পোশাক কারখানার শ্রমিককে (৩২) গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ অভিযোগে মঙ্গলবার শ্রীপুর থানায় মামলা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- একই গ্রামের নজুম উদ্দিনের ছেলে মিজান ফকির (৩০), নুরুল ইসলামের ছেলে সুলতান উদ্দিন (২৪), সুরুজ মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন সুবল (২২) ও রানা (২৭)। এতে অজ্ঞাত একজনকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুলতান উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যরা পলাতক রয়েছেন। এদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন সুবল ও রানা স্থানীয় এএসআর কম্পিউটার জ্যাকার নামক একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) গোলাম সারোয়ার বলেন, ভিকটিম শ্রীপুরের পল্লীতে একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করেন। গত ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে বাড়ির মালিক তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বের করে দেয়। পরে গভীর রাতে রাস্তায় তাকে ঘুরতে দেখে মিজান ফকির তার বাড়িতে আশ্রয় দেয়ার কথা বলে একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই কক্ষেই অন্য অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পরদিন দুপুরে কক্ষ থেকে বের করে দেয়।

শ্রীপুর থানার ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ ও একজনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। একজন আটক রয়েছেন। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আশ্রয়ের কথা বলে গার্মেন্ট শ্রমিককে গণধর্ষণ

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
২০ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের আমতলা এলাকায় আশ্রয়ের কথা বলে এক পোশাক কারখানার শ্রমিককে (৩২) গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ অভিযোগে মঙ্গলবার শ্রীপুর থানায় মামলা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- একই গ্রামের নজুম উদ্দিনের ছেলে মিজান ফকির (৩০), নুরুল ইসলামের ছেলে সুলতান উদ্দিন (২৪), সুরুজ মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন সুবল (২২) ও রানা (২৭)। এতে অজ্ঞাত একজনকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুলতান উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যরা পলাতক রয়েছেন। এদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন সুবল ও রানা স্থানীয় এএসআর কম্পিউটার জ্যাকার নামক একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) গোলাম সারোয়ার বলেন, ভিকটিম শ্রীপুরের পল্লীতে একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করেন। গত ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে বাড়ির মালিক তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বের করে দেয়। পরে গভীর রাতে রাস্তায় তাকে ঘুরতে দেখে মিজান ফকির তার বাড়িতে আশ্রয় দেয়ার কথা বলে একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই কক্ষেই অন্য অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পরদিন দুপুরে কক্ষ থেকে বের করে দেয়।

শ্রীপুর থানার ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ ও একজনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। একজন আটক রয়েছেন। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন