স্বামী বিদেশে, শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা
jugantor
স্বামী বিদেশে, শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা

  মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

২০ এপ্রিল ২০২১, ২০:৩২:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূ (২৫) খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার স্বামী বিদেশে থাকেন। ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩নং বাঁশতৈল ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে দুই হাত পেছনে বাঁধা ও ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই গৃহবধূর পিতা জানান, মেয়ের জামাই সাউথ আফ্রিকায় থাকায় বাড়ির লোকজনদের দেখাশোনার জন্য তার মেয়ে শ্বশুরবাড়িতেই বেশিরভাগ সময় থাকতো। রোজার কয়েক দিন আগে তার মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। দুই দিন আগে আবার শ্বশুরবাড়ি চলে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়ের নুনাসের জামাই বিভিন্ন সময় তার মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। আমার মেয়ে আমাকে সব ঘটনা মোবাইল ফোনে কয়েক দিন আগে জানায়। নুনাসের জামাইয়ের কুপ্রস্তাবের কথা আমার মেয়ের মোবাইলে রেকর্ডিং করা আছে বলে আমাদের জানিয়েছিল। আমার মেয়েকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়েছে।

তিনি জানান, সোমবার রাতে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে খুন করে ওড়না দিয়ে দুই হাত পিছনে বেঁধে লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। বাড়ির লোকজন ও আশপাশের লোকজন তার মেয়ের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন। রাতে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ওসি মো.রিজাউল হক বলেন, দুই হাত ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

স্বামী বিদেশে, শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা

 মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
২০ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূ (২৫) খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার স্বামী বিদেশে থাকেন। ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩নং বাঁশতৈল ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে দুই হাত পেছনে বাঁধা ও ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই গৃহবধূর পিতা জানান, মেয়ের জামাই সাউথ আফ্রিকায় থাকায় বাড়ির লোকজনদের দেখাশোনার জন্য তার মেয়ে শ্বশুরবাড়িতেই বেশিরভাগ সময় থাকতো। রোজার কয়েক দিন আগে তার মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। দুই দিন আগে আবার শ্বশুরবাড়ি চলে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়ের নুনাসের জামাই বিভিন্ন সময় তার মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। আমার মেয়ে আমাকে সব ঘটনা মোবাইল ফোনে কয়েক দিন আগে জানায়। নুনাসের জামাইয়ের কুপ্রস্তাবের কথা আমার মেয়ের মোবাইলে রেকর্ডিং করা আছে বলে আমাদের জানিয়েছিল। আমার মেয়েকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়েছে।

তিনি জানান, সোমবার রাতে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে খুন করে ওড়না দিয়ে দুই হাত পিছনে বেঁধে লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। বাড়ির লোকজন ও আশপাশের লোকজন তার মেয়ের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন। রাতে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ওসি মো.রিজাউল হক বলেন, দুই হাত ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন