রিমান্ডে আলেম ওলামাদের জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে যা বললেন বাবুনগরী
jugantor
রিমান্ডে আলেম ওলামাদের জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে যা বললেন বাবুনগরী

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

২২ এপ্রিল ২০২১, ১৯:১৪:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রমজানে আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার ওপর জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া রিমান্ডে নেওয়া আলেম ওলামাদেরকে বিধর্মীদের দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না করার জন্য সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে হেফাজত আমীরের ব্যক্তিগত সহকারী মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকী'র গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বলেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন করোনা পরিস্থিতির কারণে নিজ গৃহে বন্দি জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তখন জুলুম চলছে মসজিদ, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এসব প্রতিষ্ঠানের হেফাজতকারীদের ওপর।

হেফাজত আমির বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, মাহে রমজান হল সাহায্য সহানুভূতির মাস। বাকী এগারো মাসের তুলনায় রমজান মাসে সকল ধরনের ইবাদত-বন্দেগীর ফযিলত অনেক গুণ বেশি। অথচ এই মাসেই বাংলাদেশে জুলুম, গ্রেফতার, নির্যাতন চালানো হচ্ছে শত শত হেফাজত নেতাকর্মী, আলেম ওলামা, ছাত্র ও তৌহিদি জনতার ওপর।

তিনি আরও বলেন, রমজানের এই পবিত্র মাসে ফিতনা-ফাসাদ এবং প্রতিহিংসা পরিহার করার শিক্ষা যখন ইসলাম আমাদেরকে দেয়, তখন সরকার ইসলাম প্রচারকদের বন্দি করে রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করছে। আমার এই সব সহকর্মী হযরতগণ হাজতের নোংরা পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল করতে, অজু করতে, নামাজ আদায় করতে, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করতে, সেহরি খেতে ও ইফতার করতে পারছেন না। এসব জুলুম, বর্বরতা, মানবতার অপমান দেখে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নাখোশ হবেন।

গণপ্রতিরোধ ও প্রতিবাদ ছাড়া সহজে আলেম ওলামাদের গ্রেফতারের জন্য লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে সরকার সমগ্র দেশবাসীকে কষ্ট দিচ্ছে বলে মন্তব্য করে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, দেশের নিম্নআয়ের গরিব মানুষকে আর হয়রানি ও কষ্ট না দিয়ে আমার কাছে তালিকাটা পাঠান, আমি অভিযুক্তদের সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জেলে চলে যাব। একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না। এর বিনিময়ে আপনারা লকডাউন তুলে নিন। লকডাউনের অজুহাতে জোর, জবরদস্তি করে যে সকল মাদ্রাসা ও হেফজখানা বন্ধ করে কোরআন-হাদিসের চর্চা বন্ধ করে দিয়েছেন, ওগুলো খুলে দিন। যাতে কোরআন-হাদিসের ব্যাপক চর্চার বরকতে দেশের ওপর আল্লাহর রহমত নাযিল হয়।

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামীর আন্দোলন সব সময়ই শান্তিপূর্ণ ছিল এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করা দেশবাসীর সাংবিধানিক অধিকার। কোনো সরকারই জনগণের এই মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। কথিত ‘তাণ্ডব ও ভাঙচুর’-এর অভিযোগে সারা দেশে গত আট বছরে যত মামলা হয়েছে, তার সবই অবৈধ, ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা। বিনা শর্তে ষড়যন্ত্রমূলক এই সব মিথ্যা মামলা বাতিল করুন, কারাবন্দী সব আলেম ওলামাদেরকে মুক্তি দিন।

রিমান্ডে আলেম ওলামাদের জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে যা বললেন বাবুনগরী

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
২২ এপ্রিল ২০২১, ০৭:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রমজানে আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার ওপর জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া রিমান্ডে নেওয়া আলেম ওলামাদেরকে বিধর্মীদের দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না করার জন্য সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে হেফাজত আমীরের ব্যক্তিগত সহকারী মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকী'র গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বলেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন করোনা পরিস্থিতির কারণে নিজ গৃহে বন্দি জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তখন জুলুম চলছে মসজিদ, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এসব প্রতিষ্ঠানের হেফাজতকারীদের ওপর।

হেফাজত আমির বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, মাহে রমজান হল সাহায্য সহানুভূতির মাস। বাকী এগারো মাসের তুলনায় রমজান মাসে সকল ধরনের ইবাদত-বন্দেগীর ফযিলত অনেক গুণ বেশি। অথচ এই মাসেই বাংলাদেশে জুলুম, গ্রেফতার, নির্যাতন চালানো হচ্ছে শত শত হেফাজত নেতাকর্মী, আলেম ওলামা, ছাত্র ও তৌহিদি জনতার ওপর।

তিনি আরও বলেন, রমজানের এই পবিত্র মাসে ফিতনা-ফাসাদ এবং প্রতিহিংসা পরিহার করার শিক্ষা যখন ইসলাম আমাদেরকে দেয়, তখন সরকার ইসলাম প্রচারকদের বন্দি করে রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করছে। আমার এই সব সহকর্মী হযরতগণ হাজতের নোংরা পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল করতে, অজু করতে, নামাজ আদায় করতে, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করতে, সেহরি খেতে ও ইফতার করতে পারছেন না। এসব জুলুম, বর্বরতা, মানবতার অপমান দেখে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নাখোশ হবেন।

গণপ্রতিরোধ ও প্রতিবাদ ছাড়া সহজে আলেম ওলামাদের গ্রেফতারের জন্য লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে সরকার সমগ্র দেশবাসীকে কষ্ট দিচ্ছে বলে মন্তব্য করে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, দেশের নিম্নআয়ের গরিব মানুষকে আর হয়রানি ও কষ্ট না দিয়ে আমার কাছে তালিকাটা পাঠান, আমি অভিযুক্তদের সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জেলে চলে যাব। একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না। এর বিনিময়ে আপনারা লকডাউন তুলে নিন। লকডাউনের অজুহাতে জোর, জবরদস্তি করে যে সকল মাদ্রাসা ও হেফজখানা বন্ধ করে কোরআন-হাদিসের চর্চা বন্ধ করে দিয়েছেন, ওগুলো খুলে দিন। যাতে কোরআন-হাদিসের ব্যাপক চর্চার বরকতে দেশের ওপর আল্লাহর রহমত নাযিল হয়।

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামীর আন্দোলন সব সময়ই শান্তিপূর্ণ ছিল এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করা দেশবাসীর সাংবিধানিক অধিকার। কোনো সরকারই জনগণের এই মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। কথিত ‘তাণ্ডব ও ভাঙচুর’-এর অভিযোগে সারা দেশে গত আট বছরে যত মামলা হয়েছে, তার সবই অবৈধ, ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা। বিনা শর্তে ষড়যন্ত্রমূলক এই সব মিথ্যা মামলা বাতিল করুন, কারাবন্দী সব আলেম ওলামাদেরকে মুক্তি দিন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন