অসুস্থতার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
jugantor
অসুস্থতার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৪০:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় অসুখের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে নুসরাত নাজনিন নামে দশম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ ঘরে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে। ভোরে মা-বাবা ডাকাডাকির পর দরজা না খুললে অবশেষে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তারা।

স্থানীয়রা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের চাঁন্দখোলা গ্রামের নাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের মেয়ে বায়েক শিক্ষাসনদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত নাজনিনের (১৭) খাদ্যনালিতে ঘা হওয়ায় যেকোনো খাবার খেলেই বমি করে দিত এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করত।

পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখালেও তেমন কোনো ফলাফল হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যনালির ঘায়ের যন্ত্রণা সইতে না পেরে অবশেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজের রুমে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে। তার মা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকা।

এ বিষয়ে কসবা থানার ওসি মো. আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, মেয়েটি খুব মেধাবী ছাত্রী ছিল। যতটুকু জানতে পেরেছি তার খাদ্যনালিতে ঘা হয়েছিল। কোনো খাবার খেলেই বমি হতো। এসব কারণে হয়তো আত্মহত্যা করেছে।

অসুস্থতার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় অসুখের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে নুসরাত নাজনিন নামে দশম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ ঘরে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে। ভোরে মা-বাবা ডাকাডাকির পর দরজা না খুললে অবশেষে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তারা।

স্থানীয়রা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের চাঁন্দখোলা গ্রামের নাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের মেয়ে বায়েক শিক্ষাসনদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত নাজনিনের (১৭) খাদ্যনালিতে ঘা হওয়ায় যেকোনো খাবার খেলেই বমি করে দিত এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করত।

পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখালেও তেমন কোনো ফলাফল হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যনালির ঘায়ের যন্ত্রণা সইতে না পেরে অবশেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজের রুমে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে। তার মা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকা।   

এ বিষয়ে কসবা থানার ওসি মো. আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, মেয়েটি খুব মেধাবী ছাত্রী ছিল। যতটুকু জানতে পেরেছি তার খাদ্যনালিতে ঘা হয়েছিল। কোনো খাবার খেলেই বমি হতো। এসব কারণে হয়তো আত্মহত্যা করেছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন