শিশুর ওপর চাচার এ কী বর্বরতা!
jugantor
শিশুর ওপর চাচার এ কী বর্বরতা!

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ২২:১৩:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আহত শিশু

চুয়াডাঙ্গায় বড় চাচার বর্বরতার শিকার হয়েছে ছয় বছরের এক শিশু। পূর্ববিরোধের জেরে চাচা আবদুর রশীদ ফুটন্ত গরম ভাত ঢেলে দিয়েছে ওই শিশুর মাথায়। এতে ঝলসে গেছে শিশু রাব্বী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া গ্রামে।

নির্মম নির্যাতনের শিকার শিশু রাব্বী ওই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী লালু মিয়ার ছেলে। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে যন্ত্রণায় ছটফট করছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকালে প্রতিবেশী বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল শিশু রাব্বী। এ সময় রাব্বীর বড় চাচা আবদুর রশীদ ঘরে ঘুমাচ্ছিল। শিশুদের চেঁচামেচিতে তার ঘুম ভেঙে যায়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে চুলার ওপর থেকে হাঁড়ি নিয়ে ফুটন্ত গরম ভাত শিশু রাব্বীর মাথার ওপর ঢেলে দেয়। এতে শিশু রাব্বীর ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

রাব্বীর মা রোমানা খাতুন বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘ ৬ বছর মালয়েশিয়ায় আছেন। পারিবারিকভাবে রাব্বীর বড় চাচার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে আমার। এ কারণেই তিনি হয়তো এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমি এর বিচার চাই।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়ভাবেই রাব্বীর চিকিৎসা করাচ্ছিলাম। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাব্বীকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।

অভিযুক্ত আবদুর রশীদ ঘটনা আংশিক স্বীকার করে বলেন, আমি রাগের সময় গরম ভাতের হাঁড়ি ছুড়ে মারি। বেকায়দায় রাব্বীর মাথায় গিয়ে পড়েছে। তাছাড়া ওর গায়ে মারার ইচ্ছা ছিল না আমার।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন জানান, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কজনক মনে হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো লাগতে পারে।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি আলমগীর কবির বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এ ব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিশুর ওপর চাচার এ কী বর্বরতা!

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আহত শিশু
আহত শিশু। ছবি: যুগান্তর

চুয়াডাঙ্গায় বড় চাচার বর্বরতার শিকার হয়েছে ছয় বছরের এক শিশু। পূর্ববিরোধের জেরে চাচা আবদুর রশীদ ফুটন্ত গরম ভাত ঢেলে দিয়েছে ওই শিশুর মাথায়। এতে ঝলসে গেছে শিশু রাব্বী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া গ্রামে। 

নির্মম নির্যাতনের শিকার শিশু রাব্বী ওই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী লালু মিয়ার ছেলে। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে যন্ত্রণায় ছটফট করছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকালে প্রতিবেশী বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল শিশু রাব্বী। এ সময় রাব্বীর বড় চাচা আবদুর রশীদ ঘরে ঘুমাচ্ছিল। শিশুদের চেঁচামেচিতে তার ঘুম ভেঙে যায়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে চুলার ওপর থেকে হাঁড়ি নিয়ে ফুটন্ত গরম ভাত শিশু রাব্বীর মাথার ওপর ঢেলে দেয়। এতে শিশু রাব্বীর ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। 

রাব্বীর মা রোমানা খাতুন বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘ ৬ বছর মালয়েশিয়ায় আছেন। পারিবারিকভাবে রাব্বীর বড় চাচার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে আমার। এ কারণেই তিনি হয়তো এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমি এর বিচার চাই। 

তিনি আরও জানান, স্থানীয়ভাবেই রাব্বীর চিকিৎসা করাচ্ছিলাম। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাব্বীকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। 

অভিযুক্ত আবদুর রশীদ ঘটনা আংশিক স্বীকার করে বলেন, আমি রাগের সময় গরম ভাতের হাঁড়ি ছুড়ে মারি। বেকায়দায় রাব্বীর মাথায় গিয়ে পড়েছে। তাছাড়া ওর গায়ে মারার ইচ্ছা ছিল না আমার।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন জানান, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কজনক মনে হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো লাগতে পারে। 

আলমডাঙ্গা থানার ওসি আলমগীর কবির বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এ ব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন