ইমামকে থানায় নিয়ে মুচলেকা
jugantor
ইমামকে থানায় নিয়ে মুচলেকা

  নওগাঁ প্রতিনিধি  

২৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১২:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতের কর্মীরা পুলিশি দ্বারা হয়রানি স্বীকার হচ্ছে- দোয়ায় এমন কথা বলার অভিযোগে নওগাঁ শহরের ‘গোডাউন জামে মসজিদের ইমাম আহমুদুল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে মসজিদের গেট থেকে তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একই দিন রাত ১২টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মসজিদের মুসল্লি সূত্রে জানা গেছে, শহরের কাজীর মোড় গোডাউন জামে মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মোনাজাত করা হয়। এ সময় ইমাম আহমুদুল হক দলমত নির্বিশেষে মুসলিমদের শান্তি কামনা এবং করোনাভাইরাসের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করছিলেন। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তিনি মোনাজাত করতেন। কিন্তু মোনাজাতের সময় হেফাজতের কোনো কথা সেখানে বলা হয়নি বলে জানিয়েছেন মুসল্লিরা।

কিন্তু ইমামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে- হেফাজতের কর্মীরা পুলিশি হয়রানির স্বীকার হচ্ছে এবং আটক ওলামাদের মুক্তির কথা বলে দোয়া করা হয়েছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিকাল ৫টার দিকে মসজিদের গেট থেকে তাকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

এ ব্যাপারে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি (আহমুদুল হক) নিজেই থানায় আসছিলেন। তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল। পরে বিধি মোতাবেক তাকে মসজিদ কমিটির নিকট ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইমামকে থানায় নিয়ে মুচলেকা

 নওগাঁ প্রতিনিধি 
২৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতের কর্মীরা পুলিশি দ্বারা হয়রানি স্বীকার হচ্ছে- দোয়ায় এমন কথা বলার অভিযোগে নওগাঁ শহরের ‘গোডাউন জামে মসজিদের ইমাম আহমুদুল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে মসজিদের গেট থেকে তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একই দিন রাত ১২টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মসজিদের মুসল্লি সূত্রে জানা গেছে, শহরের কাজীর মোড় গোডাউন জামে মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মোনাজাত করা হয়। এ সময় ইমাম আহমুদুল হক দলমত নির্বিশেষে মুসলিমদের শান্তি কামনা এবং করোনাভাইরাসের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করছিলেন। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তিনি মোনাজাত করতেন। কিন্তু মোনাজাতের সময় হেফাজতের কোনো কথা সেখানে বলা হয়নি বলে জানিয়েছেন মুসল্লিরা। 

কিন্তু ইমামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে- হেফাজতের কর্মীরা পুলিশি হয়রানির স্বীকার হচ্ছে এবং আটক ওলামাদের মুক্তির কথা বলে দোয়া করা হয়েছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিকাল ৫টার দিকে মসজিদের গেট থেকে তাকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। 

এ ব্যাপারে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি (আহমুদুল হক) নিজেই থানায় আসছিলেন। তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল। পরে বিধি মোতাবেক তাকে মসজিদ কমিটির নিকট ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন