প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বাবাকে বল্লম দিয়ে খুন
jugantor
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বাবাকে বল্লম দিয়ে খুন

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৪ এপ্রিল ২০২১, ২১:৫৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বৃদ্ধ বাবাকে খুন করেছে পাষণ্ড ছেলে ও তার স্বজনরা। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আকটকৃতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে। শনিবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

তিনি জানান, স্থানীয় বিজনা নদীর জলমহাল লিজ নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার বাঁশডর গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ১০-১২টি মামলাও রয়েছে। এ বিরোধ প্রতিরোধে একাধিকবার পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজন উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

এর জের ধরে গত বছরের ১৫ জুলাই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় জাহির আলীর ছেলে ও তার স্বজনরা দাবি করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরে ঢুকে জাহির আলীকে খুন করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে আলামতও সংগ্রহ করা হয়।

ঘটনার একদিন পর ১৭ জুলাই নিহতের ছেলে আরশ আলী বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৯২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে বাদীপক্ষের লোকজনের কথাবার্তায় সন্দেহ দেখা দিলে গত ২২ এপ্রিল বাদীপক্ষের মিসবাহ উদ্দিনকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। এ সময় সে ঘটনার বর্ণনা করে।

তার দেয়া তথ্যমতে গত ২৩ এপ্রিল বাদীপক্ষের সামছুল হক ও জিলু মিয়াকে আটক করে পুলিশ। শনিবার তারা হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পবন চন্দ্র বর্মণের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

এতে তারা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিহত জাহির আলীর ছেলে আরশ আলীর নেতৃত্বে তার গোষ্ঠীর ৭ জন মিলে বিছানায় শুয়ে থাকা ৭৫ বছরের বৃদ্ধ জাহির আলীকে ফিকল (বল্লম জাতীয় দেশীয় অস্ত্র) দিয়ে পেটে আঘাত করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলেসহ বাকি ঘাতকরা পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বাবাকে বল্লম দিয়ে খুন

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৪ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বৃদ্ধ বাবাকে খুন করেছে পাষণ্ড ছেলে ও তার স্বজনরা। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

আকটকৃতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে। শনিবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

তিনি জানান, স্থানীয় বিজনা নদীর জলমহাল লিজ নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার বাঁশডর গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ১০-১২টি মামলাও রয়েছে। এ বিরোধ প্রতিরোধে একাধিকবার পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজন উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি। 

এর জের ধরে গত বছরের ১৫ জুলাই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় জাহির আলীর ছেলে ও তার স্বজনরা দাবি করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরে ঢুকে জাহির আলীকে খুন করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে আলামতও সংগ্রহ করা হয়। 

ঘটনার একদিন পর ১৭ জুলাই নিহতের ছেলে আরশ আলী বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৯২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে বাদীপক্ষের লোকজনের কথাবার্তায় সন্দেহ দেখা দিলে গত ২২ এপ্রিল বাদীপক্ষের মিসবাহ উদ্দিনকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। এ সময় সে ঘটনার বর্ণনা করে। 

তার দেয়া তথ্যমতে গত ২৩ এপ্রিল বাদীপক্ষের সামছুল হক ও জিলু মিয়াকে আটক করে পুলিশ। শনিবার তারা হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পবন চন্দ্র বর্মণের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। 

এতে তারা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিহত জাহির আলীর ছেলে আরশ আলীর নেতৃত্বে তার গোষ্ঠীর ৭ জন মিলে বিছানায় শুয়ে থাকা ৭৫ বছরের বৃদ্ধ জাহির আলীকে ফিকল (বল্লম জাতীয় দেশীয় অস্ত্র) দিয়ে পেটে আঘাত করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলেসহ বাকি ঘাতকরা পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন