নবজাতককে মাথায় আঘাত করে হত্যা!
jugantor
নবজাতককে মাথায় আঘাত করে হত্যা!

  যুগান্তর প্রতিবেদন, গাজীপুর  

২৫ এপ্রিল ২০২১, ২২:২৮:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর সদরের মনিপুর তালতলি এলাকায় টয়লেট থেকে সদ্য প্রসব হওয়া এক অজ্ঞাত নবজাতকের লাশ উদ্ধার করার সংবাদ পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

রোববার সকালে জয়দেবপুর থানার পুলিশ সাত্তার কাজীর বাসার টয়লেট থেকে ছেলে নবজাতকের লাশটি উদ্ধার করে।

জানা যায়, রোববার সকালে স্থানীয় লোকজন প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো রক্তাক্ত অবস্থায় নবজাতকের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে বাসার মালিক সাত্তার কাজীকে খবর দেন। তিনি এসে তড়িঘড়ি করে বাসা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে নবজাতকের লাশ দাফন করেন।

লাশ দাফনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে ওই নবজাতকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এলাকাবাসী জানান, ঘটনার মূলহোতা বাসার মালিক সাত্তার কাজী ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

এ বিষয়ে সাত্তার কাজীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জয়দেবপুর থানার এসআই মো. মিরাজ আহমদ বলেন, নবজাতকের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- জন্মের পর মাথায় আঘাত করে নবজাতকের মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়। আর এ ঘটনায় সাত্তার কাজী জড়িত বলে এলাকাবাসী জানান।

জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবজাতককে মাথায় আঘাত করে হত্যা!

 যুগান্তর প্রতিবেদন, গাজীপুর 
২৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর সদরের মনিপুর তালতলি এলাকায় টয়লেট থেকে সদ্য প্রসব হওয়া এক অজ্ঞাত নবজাতকের লাশ উদ্ধার করার সংবাদ পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

রোববার সকালে জয়দেবপুর থানার পুলিশ সাত্তার কাজীর বাসার টয়লেট থেকে ছেলে নবজাতকের লাশটি উদ্ধার করে।

জানা যায়, রোববার সকালে স্থানীয় লোকজন প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো রক্তাক্ত অবস্থায় নবজাতকের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে বাসার মালিক সাত্তার কাজীকে খবর দেন। তিনি এসে তড়িঘড়ি করে বাসা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে নবজাতকের লাশ দাফন করেন।

লাশ দাফনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে ওই নবজাতকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এলাকাবাসী জানান, ঘটনার মূলহোতা বাসার মালিক সাত্তার কাজী ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

এ বিষয়ে সাত্তার কাজীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জয়দেবপুর থানার এসআই মো. মিরাজ আহমদ বলেন, নবজাতকের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- জন্মের পর মাথায় আঘাত করে নবজাতকের মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়। আর এ ঘটনায় সাত্তার কাজী জড়িত বলে এলাকাবাসী জানান।

জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন