স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি ওষুধ পুড়ে ছাই (ভিডিও)
jugantor
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি ওষুধ পুড়ে ছাই (ভিডিও)

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২৬ এপ্রিল ২০২১, ১৯:১০:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত বেশ কিছু ওষুধ কে বা কারা পুড়িয়ে পাশেই স্তূপ করে রেখেছে। আর এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানে না।

রোববার দুপুরে উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে মসজিদের পাশের পরিত্যক্ত একটি জায়গায় ওষুধগুলো পোড়ানো অবস্থায় দেখতে পান মসজিদে যোহরের নামাজ পড়তে আসা কয়েকজন মুসল্লি।পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে মুহূর্তেই হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক জনতার ভিড় বেড়ে যায়।

তবে এ ঘটনা ঘটলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তা জানা নেই বলে জানা যায়। ফলে এলাকার মানুষের মাঝে এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান ওষুধ পোড়ানোর কথা স্বীকার করে বলেন, আমি জেনেছি শুধু কৃমিনাশক অ্যালবানিডাজল ট্যাবলেট পোড়ানো হয়েছে। বিষয়টি সিরিয়াসভাবে দেখে সরকারি ওষুধ কে বা কারা পুড়ে ফেলেছে তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবনের ৩০ গজ দূরেই হাসপাতাল মসজিদ সংলগ্ন পরিত্যক্ত পাশের একটি জায়গায় বিভিন্ন ধরনের নামীদামী সরকারি ওষুধ পোড়ানো অবস্থায় স্তূপ আকারে পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন মুসল্লি। যোহরের নামায পড়তে এসে মুসল্লিরা অজু করতে গিয়ে হঠাৎ সামনে কালো একটি স্তূপ দেখতে পান।

জানা গেছে, কৃমিনাশক এলবেন ডিএস, ব্যথানাশক কিটারোলাক ও গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেটসহ নানা ধরনের ওষুধ পোড়ানো হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, কে বা কারা সরকারি ওষুধগুলো পুড়িয়েছে তা কেউ জানেন না। তবে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সেলিম মিয়াকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি ওষুধ পুড়ে ছাই (ভিডিও)

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২৬ এপ্রিল ২০২১, ০৭:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত বেশ কিছু ওষুধ কে বা কারা পুড়িয়ে পাশেই স্তূপ করে রেখেছে। আর এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানে না।

রোববার দুপুরে উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে মসজিদের পাশের পরিত্যক্ত একটি জায়গায় ওষুধগুলো পোড়ানো অবস্থায় দেখতে পান মসজিদে যোহরের নামাজ পড়তে আসা কয়েকজন মুসল্লি।পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে মুহূর্তেই হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক জনতার ভিড় বেড়ে যায়।

তবে এ ঘটনা ঘটলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তা জানা নেই বলে জানা যায়। ফলে এলাকার মানুষের মাঝে এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান ওষুধ পোড়ানোর কথা স্বীকার করে বলেন, আমি জেনেছি শুধু কৃমিনাশক অ্যালবানিডাজল ট্যাবলেট পোড়ানো হয়েছে। বিষয়টি সিরিয়াসভাবে দেখে সরকারি ওষুধ কে বা কারা পুড়ে ফেলেছে তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবনের ৩০ গজ দূরেই হাসপাতাল মসজিদ সংলগ্ন পরিত্যক্ত পাশের একটি জায়গায় বিভিন্ন ধরনের নামীদামী সরকারি ওষুধ পোড়ানো অবস্থায় স্তূপ আকারে পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন মুসল্লি। যোহরের নামায পড়তে এসে মুসল্লিরা অজু করতে গিয়ে হঠাৎ সামনে কালো একটি স্তূপ দেখতে পান।

জানা গেছে, কৃমিনাশক এলবেন ডিএস, ব্যথানাশক কিটারোলাক ও গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেটসহ নানা ধরনের ওষুধ পোড়ানো হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, কে বা কারা সরকারি ওষুধগুলো পুড়িয়েছে তা কেউ জানেন না। তবে আবাসিক মেডিকেল অফিসার  ডা. সেলিম মিয়াকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন