অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার
jugantor
অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৭ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৩২:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় অপহরণের সাত ঘণ্টা পর গাড়িসহ শিশু উদ্ধার করা হয়েছে। ছাতক ও সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে সিলেট থেকে গাড়িসহ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

এ সময় রুকন মিয়া (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে তাকে সুনামগঞ্জ আদালত পাঠানো হয়েছে।

অপহৃত শিশু হালিমা নুসরাত উর্মিলা উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের সুহিতপুর গ্রামের ইউসুফ আলী ওরফে মোহনের কন্যা এবং গোবিন্দগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি, আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ আলী রেজার আপন ভাতিজি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে নোহা গাড়িচালক করম আলী ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার সময় শিশু হালিমাও তার সঙ্গে যায়। তিনি হালিমাকে গাড়িতে বসিয়ে রেখে ব্যাংকের ভেতরে যান। করম আলী ব্যাংক থেকে বের হয়ে দেখেন হালিমাসহ গাড়িটি নেই।

পরে পুলিশকে এ বিষয়টি অবগত করেন। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি সিলেটের দিকে চলে গেছে। এরপর ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন, এসআই হাবিবুর রহমান ও মহিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযানে নামে।

গত সোমবার বিকাল ৪টায় দিকে পুলিশ প্রথমে সিলেট নগরের কদমতলী এলাকা থেকে প্রথমে গাড়িটি জব্দ করে। এর ঘণ্টাখানেক পর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার গোটাটিকর এলাকার আলাউদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ হালিমাকে উদ্ধার করেছে। এ সময় রুকন মিয়াকে আটক করে পুলিশ।

রুকন মিয়া আলাউদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি একসময় গাড়ি চালাতেন। তার গ্রামের বাড়ি ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের গৌরিপুর গ্রামে। তিনি কুটি মিয়ার পুত্র।

ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে একাধিক টিমের নেতৃত্বে অভিযানে শুরু করি। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশও অভিযানে সহযোগিতা করায় অবশেষে ৭ ঘণ্টা পর আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করি। সোমবার রাতে শিশু হালিমাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে থানার পুলিশ।

মঙ্গলবার গভীর রাতে শিশু হালিমার বাবা ইউসুফ আলী মোহন বাদী হয়ে রুকনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান জানান, আসামিকে গত মঙ্গলবার সকালে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন নবী জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিশুকে উদ্ধার করেছে। এতে তারা প্রশংসার দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার

 ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৭ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় অপহরণের সাত ঘণ্টা পর গাড়িসহ শিশু উদ্ধার করা হয়েছে। ছাতক ও সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে সিলেট থেকে গাড়িসহ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

এ সময় রুকন মিয়া (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে তাকে সুনামগঞ্জ আদালত পাঠানো হয়েছে।

অপহৃত শিশু হালিমা নুসরাত উর্মিলা উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের সুহিতপুর গ্রামের ইউসুফ আলী ওরফে মোহনের কন্যা এবং গোবিন্দগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি, আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ আলী রেজার আপন ভাতিজি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে নোহা গাড়িচালক করম আলী ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার সময় শিশু হালিমাও তার সঙ্গে যায়। তিনি হালিমাকে গাড়িতে বসিয়ে রেখে ব্যাংকের ভেতরে যান। করম আলী ব্যাংক থেকে বের হয়ে দেখেন হালিমাসহ গাড়িটি নেই।

পরে পুলিশকে এ বিষয়টি অবগত করেন। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি সিলেটের দিকে চলে গেছে। এরপর ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন, এসআই হাবিবুর রহমান ও মহিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযানে নামে।

গত সোমবার বিকাল ৪টায় দিকে পুলিশ প্রথমে সিলেট নগরের কদমতলী এলাকা থেকে প্রথমে গাড়িটি জব্দ করে। এর ঘণ্টাখানেক পর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার গোটাটিকর এলাকার আলাউদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ হালিমাকে উদ্ধার করেছে। এ সময় রুকন মিয়াকে আটক  করে পুলিশ।

রুকন মিয়া আলাউদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি একসময় গাড়ি চালাতেন। তার গ্রামের বাড়ি ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের গৌরিপুর গ্রামে। তিনি কুটি মিয়ার পুত্র।

ওসি শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে একাধিক টিমের নেতৃত্বে অভিযানে শুরু করি। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশও অভিযানে সহযোগিতা করায় অবশেষে ৭ ঘণ্টা পর আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করি। সোমবার রাতে শিশু হালিমাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে থানার পুলিশ।

মঙ্গলবার গভীর রাতে শিশু হালিমার বাবা ইউসুফ আলী মোহন বাদী হয়ে রুকনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই  হাবিবুর রহমান জানান, আসামিকে গত মঙ্গলবার সকালে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন নবী জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিশুকে উদ্ধার করেছে। এতে তারা প্রশংসার দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন