মুলাদী বন্দরে মোবাইলের দোকানে চুরি
jugantor
মুলাদী বন্দরে মোবাইলের দোকানে চুরি

  মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২৮ এপ্রিল ২০২১, ১৫:১৩:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মুলাদী বন্দরের পূর্ব বাজারের আইডিয়াল টেলিকমে চুরি সংঘটিত হয়।

দোকান মালিক আবু হানিফ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় চলে যান। রাতের কোনো এক সময় চোর চক্র দোকানের উপরে চালার টিন কেটে ভিতরে প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরার লাইন বিচ্ছিন্ন করে।

পরে চোর চক্র দোকানে থাকা নগদ দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও বিভিন্ন মডেলের প্রায় ৫ লাখের বেশি টাকার মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়।

বুধবার সকালে তিনি দোকান খুলে মোবাইলের র‌্যাক ও ক্যাশ বাক্স ভাঙা এবং মালপত্র ছড়ানো ছিটানো দেখতে পেয়ে মুলাদী থানায় সংবাদ দেন।

এ ঘটনায় মুলাদী সার্কেল এএসপি মতিউর রহমান, মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম মাকসুদুর রহমান, মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান রবিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বন্দর ব্যবসায়ীদের ধারণা সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

মুলাদী বন্দরের বনশ্রী জুয়েলার্সের মালিক সুরেশ কর্মকার বলেন, ২০১৯ সালের ২ ডিসেম্বর বন্দরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এছাড়া বন্দরের মোল্লা টেলিকম, হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর পশ্চিম পাড়ে ৬টি দোকানে চুরি ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় চোরচক্র একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ওসি এসএম মাকসুদুর রহমান জানান চুরির রহস্য উদ্ঘাটন ও মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

মুলাদী বন্দরে মোবাইলের দোকানে চুরি

 মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২৮ এপ্রিল ২০২১, ০৩:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মুলাদী বন্দরের পূর্ব বাজারের আইডিয়াল টেলিকমে চুরি সংঘটিত হয়।  

দোকান মালিক আবু হানিফ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় চলে যান। রাতের কোনো এক সময় চোর চক্র দোকানের উপরে চালার টিন কেটে ভিতরে প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরার লাইন বিচ্ছিন্ন করে। 

পরে চোর চক্র দোকানে থাকা নগদ দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও বিভিন্ন মডেলের প্রায় ৫ লাখের বেশি টাকার মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়। 

বুধবার সকালে তিনি দোকান খুলে মোবাইলের র‌্যাক ও ক্যাশ বাক্স ভাঙা এবং মালপত্র ছড়ানো ছিটানো দেখতে পেয়ে মুলাদী থানায় সংবাদ দেন। 

এ ঘটনায় মুলাদী সার্কেল এএসপি মতিউর রহমান, মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম মাকসুদুর রহমান, মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান রবিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

বন্দর ব্যবসায়ীদের ধারণা সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। 

মুলাদী বন্দরের বনশ্রী জুয়েলার্সের মালিক সুরেশ কর্মকার বলেন, ২০১৯ সালের ২ ডিসেম্বর বন্দরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

এছাড়া বন্দরের মোল্লা টেলিকম, হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর পশ্চিম পাড়ে ৬টি দোকানে চুরি ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় চোরচক্র একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। 

এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ওসি এসএম মাকসুদুর রহমান জানান চুরির রহস্য উদ্ঘাটন ও মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন