গুলিতে নিহত সেই আলাউদ্দিনের ধান কেটে দিলেন আ.লীগ নেতারা
jugantor
গুলিতে নিহত সেই আলাউদ্দিনের ধান কেটে দিলেন আ.লীগ নেতারা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৮ এপ্রিল ২০২১, ১৭:২৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত সিএনজিচালক ও শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের নেতৃত্বে নিহত আলাউদ্দিনের পরিবারের ১৭ শতাংশ জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমান বাদল বলেন, নিহত সিএনজি চালকের পরিবার এ মৌসুমে ইরি বোরো ধান চাষ করেন। করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক ও শ্রমিক সংকটসহ নানা সমস্যার কারণে তারা ধান কাটতে পারছেন না। ক্ষেতে পাকা ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে তাদের চরফকিরা ইউনিয়নের চরকালি গ্রামের ১৭ শতাংশ জমির ধান কেটে আমরা ঘরে তুলে দিচ্ছি।

সম্পূর্ণ ধান ঘরে তুলে দিতে আরও একদিন সময় লাগতে পারে। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জায়দুল হক কচি, চরফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফ হোসেন রভেন্স, চরফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল হাসান সম্রাট প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে ৯ মার্চ বসুরহাটে আবদুল কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের বাদল অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। তিনি মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী ছিলেন।

এ ঘটনায় আলাউদ্দিনের ছোটভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু সেতুমন্ত্রীর ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জাসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে ১৪ মার্চ এমদাদ হোসেন বাদী হয়ে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ নম্বর আমলি আদালতে একই আসামিদের বিরুদ্ধে একটি পিটিশন মামলা করেন।

গুলিতে নিহত সেই আলাউদ্দিনের ধান কেটে দিলেন আ.লীগ নেতারা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত সিএনজিচালক ও শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের নেতৃত্বে নিহত আলাউদ্দিনের পরিবারের ১৭ শতাংশ জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমান বাদল বলেন, নিহত সিএনজি চালকের পরিবার এ মৌসুমে ইরি বোরো ধান চাষ করেন। করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক ও শ্রমিক সংকটসহ নানা সমস্যার কারণে তারা ধান কাটতে পারছেন না। ক্ষেতে পাকা ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে তাদের চরফকিরা ইউনিয়নের চরকালি গ্রামের ১৭ শতাংশ জমির ধান কেটে আমরা ঘরে তুলে দিচ্ছি।

সম্পূর্ণ ধান ঘরে তুলে দিতে আরও একদিন সময় লাগতে পারে। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জায়দুল হক কচি, চরফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফ হোসেন রভেন্স, চরফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল হাসান সম্রাট প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে ৯ মার্চ বসুরহাটে আবদুল কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের বাদল অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। তিনি মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী ছিলেন।

এ ঘটনায় আলাউদ্দিনের ছোটভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু সেতুমন্ত্রীর ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জাসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে ১৪ মার্চ এমদাদ হোসেন বাদী হয়ে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ নম্বর আমলি আদালতে একই আসামিদের বিরুদ্ধে একটি পিটিশন মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন