মুক্তিযোদ্ধা বাবার অভিযোগে ২ ছেলে গ্রেফতার
jugantor
মুক্তিযোদ্ধা বাবার অভিযোগে ২ ছেলে গ্রেফতার

  হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৮ এপ্রিল ২০২১, ২২:৫২:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে সুবিচার চেয়ে দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহন মিয়া (৭৭)। এ অভিযোগে পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গত ২২ এপ্রিল নির্যাতনকারী দুই ছেলে সুমন (৩৫) ও হাবিবুর রহমানের (কালু) বিরুদ্ধে লিখিত এ অভিযোগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহন মিয়া। তিনি উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা মোহন মিয়া জানান, আমার সমস্ত সম্পত্তি ৪ ছেলে এবং ২ মেয়ের মাঝে হারাহারিভাবে ভাগ করে দেয়া হয়েছে। আমার মুক্তিযোদ্ধা ভাতার টাকা দিয়ে আমরা স্বামী-স্ত্রী চলি। কিন্তু এ ভাতার টাকার ভাগ দেয়ার জন্য আমার দুই ছেলে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। গ্রাম্য সালিশের কোনো বিচার মানে না তাই বাধ্য হয়েই থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এ ব্যাপারে ওসি মো. আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, অভিযোগ পেয়ে আপস মীমাংসার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু ছেলেরা আপস করতে রাজি না। তাই অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা বাবার অভিযোগে ২ ছেলে গ্রেফতার

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৮ এপ্রিল ২০২১, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে সুবিচার চেয়ে দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহন মিয়া (৭৭)। এ অভিযোগে পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গত ২২ এপ্রিল নির্যাতনকারী দুই ছেলে সুমন (৩৫) ও  হাবিবুর রহমানের (কালু) বিরুদ্ধে লিখিত এ অভিযোগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহন মিয়া। তিনি উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের  ঝগড়ারচর গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা মোহন মিয়া জানান, আমার সমস্ত সম্পত্তি  ৪ ছেলে এবং ২ মেয়ের মাঝে হারাহারিভাবে ভাগ করে দেয়া হয়েছে। আমার মুক্তিযোদ্ধা ভাতার টাকা দিয়ে আমরা স্বামী-স্ত্রী চলি। কিন্তু এ ভাতার টাকার ভাগ দেয়ার জন্য আমার দুই ছেলে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। গ্রাম্য সালিশের কোনো বিচার মানে না তাই বাধ্য হয়েই থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এ ব্যাপারে ওসি মো. আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, অভিযোগ পেয়ে আপস মীমাংসার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু ছেলেরা আপস  করতে রাজি না। তাই অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন